দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি দখলদারিত্ব বাড়ানোর নির্দেশ নেতানিয়াহুর
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে ওঠায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দক্ষিণ লেবাননে অভিযান ও দখলদারিত্ব আরও সম্প্রসারণের জন্য তার দেশের সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি নিজেদের লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। রোববার (৩০ মার্চ) সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা জানান। খবর আল জাজিরার।
ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, উত্তরাঞ্চলের পরিস্থিতির মৌলিক পরিবর্তন করতে ইসরায়েল বদ্ধপরিকর। লেবাননে সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। নিজেদের লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী কঠোরভাবে অভিযান চালিয়ে যাবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালায়। এরপর ২ মার্চ থেকে লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ইসরায়েল সীমান্তে হামলা শুরু করে। ফলশ্রুতিতে লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা ও দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযান চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
উল্লেখ্য, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এর জবাবে ইস
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে ওঠায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দক্ষিণ লেবাননে অভিযান ও দখলদারিত্ব আরও সম্প্রসারণের জন্য তার দেশের সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি নিজেদের লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। রোববার (৩০ মার্চ) সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা জানান। খবর আল জাজিরার।
ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, উত্তরাঞ্চলের পরিস্থিতির মৌলিক পরিবর্তন করতে ইসরায়েল বদ্ধপরিকর। লেবাননে সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। নিজেদের লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী কঠোরভাবে অভিযান চালিয়ে যাবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালায়। এরপর ২ মার্চ থেকে লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ইসরায়েল সীমান্তে হামলা শুরু করে। ফলশ্রুতিতে লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা ও দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযান চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
উল্লেখ্য, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এর জবাবে ইসরায়েলসহ জর্ডান, ইরাক ও মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে প্রাণহানির পাশাপাশি অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে এবং বৈশ্বিক বাজার ও বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে।