দল থেকে নিজেরাই পদত্যাগ করলেন ৪ বিএনপি নেতা

নেতাকর্মীদের অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দল থেকে বহিষ্কারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপির চার নেতা পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন মুন্সীগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্যসচিবও। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তারা। পদত্যাগকারীরা সবাই জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্যসচিব ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন আহমেদের সমর্থক বলে জানা গেছে। পদত্যাগকারী নেতারা হলেন- মুন্সীগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম স্বপন, জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাহাদাত হোসেন সরকা, আতাউর হোসেন বাবুল ও কাজী আবু সুফিয়ান বিপ্লব। তারা চারজনই মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারীরা অভিযোগ করে বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে জেলার একের পর এক নেতাকে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই বহিষ্কার করা হচ্ছে। এসব বহিষ্কার আদেশ দলীয় গঠনতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী। তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হামলা-মামলার শিকার হয়েও যারা দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছ

দল থেকে নিজেরাই পদত্যাগ করলেন ৪ বিএনপি নেতা

নেতাকর্মীদের অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দল থেকে বহিষ্কারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপির চার নেতা পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন মুন্সীগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্যসচিবও।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তারা।

পদত্যাগকারীরা সবাই জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্যসচিব ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন আহমেদের সমর্থক বলে জানা গেছে।

পদত্যাগকারী নেতারা হলেন- মুন্সীগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম স্বপন, জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাহাদাত হোসেন সরকা, আতাউর হোসেন বাবুল ও কাজী আবু সুফিয়ান বিপ্লব। তারা চারজনই মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারীরা অভিযোগ করে বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে জেলার একের পর এক নেতাকে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই বহিষ্কার করা হচ্ছে। এসব বহিষ্কার আদেশ দলীয় গঠনতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী। তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হামলা-মামলার শিকার হয়েও যারা দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, তাদেরই শীর্ষ পর্যায়ে বহিষ্কার করা হচ্ছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদেই তারা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তবে সংবাদ সম্মেলনে তারা উল্লেখ করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ডাক দিলে তারা পুনরায় দলে ফিরতে প্রস্তুত।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সুলতান আহমদ বলেন, পদত্যাগকারীরা দীর্ঘদিন ধরে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। দলের মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে তারা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছিলেন। দল তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়ার পর আগেভাগেই তারা পদত্যাগ করে দল থেকে বিদায় নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow