দশ নাটক নিয়ে ফিরলেন নির্মাতা মামুন
তরুণ নাট্য নির্মাতা আব্দুল্লাহ আল মামুন। দীর্ঘদিন নাটক পরিচালনার পর খানিক বিরতি নিয়েছিলেন তিনি। অবশেষে বিরতি ভেঙে আবারও ফিরলেন নতুন এক চ্যালেঞ্জ নিয়ে। বরাবরের মতোই নতুন শিল্পীদের নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করে থাকেন তিনি। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। নতুন দশ নাটকের কাজ হাতে নিয়েছেন এ নির্মাতা। যার মধ্যে অধিকাংশ নাটকেই তিনি জুটি হিসাবে নিয়েছেন তারেক ও গুনগুনকে। এ জুটিকে নিয়েই নির্মাণ করেছেন আটটি নাটক। শুধু রোমান্টিক গল্পের গতানুগতিক ধারায় নিজেকে আবদ্ধ না রেখে নির্মাতা হাটলেন অন্য পথে। দর্শকের চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে তিনি এবার নির্মাণ করছেন পারিবারিক ও কমেডি ঘরানার নাটক। নির্মাতা ভাষ্যমতে, 'অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও শব্দচয়ন ব্যতীত সুস্থ বিনোদন দেবার চেষ্টাটা সবসময় অব্যাহত থাকবে। শিল্পের সাথে সাহিত্যের গাঁথুনি জোরদার করা জরুরি বলেই আমি মনে করি।' নির্মাতা জানান, ইতোমধ্যে 'বাতেন ভার্সেস কৈতরি' শিরোনামে একটি নাটক প্রচার হয়েছে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালবাসা দিবস উপলক্ষে প্রচার হয় 'তোমার প্রেমে আমি', 'তুমি শুধু আমার'সহ মোট তিনটি নাটক । এছাড়াও নির্মাণ করেছেন 'জান আমার জান', 'মায়া'-সহ একাধিক নাটক। নির্মাতা
তরুণ নাট্য নির্মাতা আব্দুল্লাহ আল মামুন। দীর্ঘদিন নাটক পরিচালনার পর খানিক বিরতি নিয়েছিলেন তিনি। অবশেষে বিরতি ভেঙে আবারও ফিরলেন নতুন এক চ্যালেঞ্জ নিয়ে। বরাবরের মতোই নতুন শিল্পীদের নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করে থাকেন তিনি। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। নতুন দশ নাটকের কাজ হাতে নিয়েছেন এ নির্মাতা। যার মধ্যে অধিকাংশ নাটকেই তিনি জুটি হিসাবে নিয়েছেন তারেক ও গুনগুনকে। এ জুটিকে নিয়েই নির্মাণ করেছেন আটটি নাটক। শুধু রোমান্টিক গল্পের গতানুগতিক ধারায় নিজেকে আবদ্ধ না রেখে নির্মাতা হাটলেন অন্য পথে। দর্শকের চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে তিনি এবার নির্মাণ করছেন পারিবারিক ও কমেডি ঘরানার নাটক। নির্মাতা ভাষ্যমতে, 'অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও শব্দচয়ন ব্যতীত সুস্থ বিনোদন দেবার চেষ্টাটা সবসময় অব্যাহত থাকবে। শিল্পের সাথে সাহিত্যের গাঁথুনি জোরদার করা জরুরি বলেই আমি মনে করি।'
নির্মাতা জানান, ইতোমধ্যে 'বাতেন ভার্সেস কৈতরি' শিরোনামে একটি নাটক প্রচার হয়েছে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালবাসা দিবস উপলক্ষে প্রচার হয় 'তোমার প্রেমে আমি', 'তুমি শুধু আমার'সহ মোট তিনটি নাটক । এছাড়াও নির্মাণ করেছেন 'জান আমার জান', 'মায়া'-সহ একাধিক নাটক।
নির্মাতা আব্দুল্লাহ আল মামুন বিশ্বাস করেন, দর্শকের রুচি নির্ভর নাটকের পাশাপাশি একটু ব্যতিক্রম এবং সুস্থ নির্মাণের মাধ্যমে আলাদা একটা সুস্থ ও রুচিশীল পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। নাটক সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার। বিনোদনের পাশাপাশি একটি গল্প বলার ইচ্ছা রয়েছে তার।
নতুনদের নিয়ে কাজ করা ঝুকিপূর্ণ কিনা জানতে চাইলে এ নির্মাতা বলেন, 'যেখানে গল্পটি দারুন হবে। সেখানে নতুন পুরাতন কোন ব্যাপার না, চমৎকার অভিনয়টাই দরকার শুধু। আমি তো আস্থা রেখেছি ওদের (তারেক ও গুনগুন) উপর, আশা করি দর্শক, শ্রোতারাও সানন্দে গ্রহন করবেন।'
What's Your Reaction?