দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ সময়ে নাটকীয় ড্র দক্ষিণ আফ্রিকার

এবারের বিশ্বকাপে দ্রুততম গোল করে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছির চেক রিপাবলিক। সেই গোলের লিড তারা ধরে রেখেছিল ৮২ মিনিট পর্যন্ত। কিন্ত শেষ সময়ের পেনাল্টিতে নাটকীয় এক ড্র করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচটি শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়। আতলান্তা স্টেডিয়ামে ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় চেক। মাইকেল সাদিলেকের করা গোলে তারা লিড পায়, যা এবারের বিশ্বকাপের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দ্রুততম গোল (১-০)। গোলটি আসে আলেকজান্ডার সয়কার সঙ্গে দারুণ সমন্বিত আক্রমণের ফল হিসেবে, তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেটিই ছিল প্রথমার্ধের একমাত্র উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত। এরও আগে চেকিয়ার আরেকটি ভালো সুযোগ এসেছিল দ্বিতীয় মিনিটেই। প্যাট্রিক শিকের সাত গজ দূর থেকে নেওয়া হেডটি অল্পের জন্য গোলপোস্টের বাইরে চলে যায়। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমার্ধে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। প্রথমার্ধের মতোই দ্বিতীয়ার্ধও দারুণভাবে শুরু করে চেক রিপাবলিক। ৪৮ মিনিটে লুকাস চের্ভের দূরপাল্লার শট একটুর জন্য গোলবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। দুই মিনিট পর চেকিয়ার আরেকটি সুযোগ! প্রথমার্ধে একটি দারুণ হেডের সুযোগ নষ্ট করা শিক এবারও কর্নার থেকে আসা বলের নাগাল পা

দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ সময়ে নাটকীয় ড্র দক্ষিণ আফ্রিকার

এবারের বিশ্বকাপে দ্রুততম গোল করে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছির চেক রিপাবলিক। সেই গোলের লিড তারা ধরে রেখেছিল ৮২ মিনিট পর্যন্ত। কিন্ত শেষ সময়ের পেনাল্টিতে নাটকীয় এক ড্র করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচটি শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়।

আতলান্তা স্টেডিয়ামে ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় চেক। মাইকেল সাদিলেকের করা গোলে তারা লিড পায়, যা এবারের বিশ্বকাপের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দ্রুততম গোল (১-০)।

গোলটি আসে আলেকজান্ডার সয়কার সঙ্গে দারুণ সমন্বিত আক্রমণের ফল হিসেবে, তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেটিই ছিল প্রথমার্ধের একমাত্র উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত।

এরও আগে চেকিয়ার আরেকটি ভালো সুযোগ এসেছিল দ্বিতীয় মিনিটেই। প্যাট্রিক শিকের সাত গজ দূর থেকে নেওয়া হেডটি অল্পের জন্য গোলপোস্টের বাইরে চলে যায়।

অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমার্ধে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।

প্রথমার্ধের মতোই দ্বিতীয়ার্ধও দারুণভাবে শুরু করে চেক রিপাবলিক। ৪৮ মিনিটে লুকাস চের্ভের দূরপাল্লার শট একটুর জন্য গোলবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

দুই মিনিট পর চেকিয়ার আরেকটি সুযোগ! প্রথমার্ধে একটি দারুণ হেডের সুযোগ নষ্ট করা শিক এবারও কর্নার থেকে আসা বলের নাগাল পান। তবে তার হেডটি সরাসরি গোলরক্ষক উইলিয়ামসের হাতেই যায়, ফলে কোনো বিপদ তৈরি হয়নি।

এরপরই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা। আক্রমণের পর আক্রমণ করতে থাকে। অবশেষে ৮২ মিনিটে এসে খুলে ভাগ্য। মাসেকোর জোরালো শটটি বক্সের ভেতরে সুলচের হাতে লেগে যায়, আর সঙ্গে সঙ্গেই রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান।

মোকোয়েনা পেনাল্টি থেকে দারুণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলটি জালের নিচের বাঁ দিকের কোণে পাঠিয়ে দেন। গোলরক্ষক কোভারকে ভুল দিকে পাঠিয়ে তিনি কোনো সুযোগই দেননি (১-১)।

দীর্ঘ সময় পিছিয়ে থাকার পর শেষ মুহূর্তে সমতায় ফেরে দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ ১০ মিনিটে তারা আরও দুর্দান্ত খেলেছে। কমপক্ষে দুটি সুযোগ নষ্ট না হলে এই ম্যাচ জিততেও পারতো দক্ষিণ আফ্রিকা।

এমএমআর

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow