দাস বাণিজ্যের রুট থেকে বিশ্বকাপের মহামঞ্চে কেপ ভার্দের অভিষেক

অবশেষে বিশ্বকাপে অভিষেক ঘটল কেপ ভার্দের। আজ শক্তিশালী স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বমঞ্চে যাত্রা শুরু হলো তাদের। সেইসঙ্গে এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সী একাদশ নিয়ে মাঠে নামার রেকর্ডও গড়ল কেপ ভার্দে। স্পেনের বিপক্ষে তাদের শুরুর একাদশের গড় বয়স ৩১ বছর ২৬ দিন। এই একাদশে আছেন দলটির ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনিয়াও। কাকতালীয়ভাবে, রোববার জার্মানির হয়ে মাঠে নেমেছিলেন ম্যানুয়েল নয়ার। আর আজ ভোজিনিয়া মাঠে নামতেই ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক অনন্য রেকর্ড হয়ে গেল। এই প্রথম বিশ্বকাপের একই আসরে ৪০ বা তার বেশি বয়সী দুজন ফুটবলারকে খেলতে দেখল ফুটবল বিশ্ব। আফ্রিকান দেশ কেপ ভার্দের ইতিহাস আর ফুটবল একেবারেই ভিন্ন দুই গল্প। তবে, গেল এক দশকে পরিকল্পিত ছকে এগিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। যার ফল হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে ৪৮ দেশের একটি তারা। কেমন ছিলো এই আফ্রিকান দেশটির উত্থান? তাদের আসল নাম কাবো ভার্দে হলেও বৈশ্বিকভাবে কেপ ভার্দে নামেই বেশি পরিচিত পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে থাকা দেশটি। ১০টি দ্বীপ আর ৯টি ভিন্ন জাতিস্বত্ত্বার এই দ্বীপ রাষ্ট্রটি আজ প্রথমবার বিশ্বকাপের বড় আসরে প্রতিনিধিত্ব করছে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ইউরো

দাস বাণিজ্যের রুট থেকে বিশ্বকাপের মহামঞ্চে কেপ ভার্দের অভিষেক
অবশেষে বিশ্বকাপে অভিষেক ঘটল কেপ ভার্দের। আজ শক্তিশালী স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বমঞ্চে যাত্রা শুরু হলো তাদের। সেইসঙ্গে এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সী একাদশ নিয়ে মাঠে নামার রেকর্ডও গড়ল কেপ ভার্দে। স্পেনের বিপক্ষে তাদের শুরুর একাদশের গড় বয়স ৩১ বছর ২৬ দিন। এই একাদশে আছেন দলটির ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনিয়াও। কাকতালীয়ভাবে, রোববার জার্মানির হয়ে মাঠে নেমেছিলেন ম্যানুয়েল নয়ার। আর আজ ভোজিনিয়া মাঠে নামতেই ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক অনন্য রেকর্ড হয়ে গেল। এই প্রথম বিশ্বকাপের একই আসরে ৪০ বা তার বেশি বয়সী দুজন ফুটবলারকে খেলতে দেখল ফুটবল বিশ্ব। আফ্রিকান দেশ কেপ ভার্দের ইতিহাস আর ফুটবল একেবারেই ভিন্ন দুই গল্প। তবে, গেল এক দশকে পরিকল্পিত ছকে এগিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। যার ফল হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে ৪৮ দেশের একটি তারা। কেমন ছিলো এই আফ্রিকান দেশটির উত্থান? তাদের আসল নাম কাবো ভার্দে হলেও বৈশ্বিকভাবে কেপ ভার্দে নামেই বেশি পরিচিত পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে থাকা দেশটি। ১০টি দ্বীপ আর ৯টি ভিন্ন জাতিস্বত্ত্বার এই দ্বীপ রাষ্ট্রটি আজ প্রথমবার বিশ্বকাপের বড় আসরে প্রতিনিধিত্ব করছে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ইউরোপিয়ান জায়ান্ট স্পেন। আফ্রিকা মহাদেশের ১৪তম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে অভিষেক হলো কেপ ভার্দের। একসময় জনশূন্য থাকা এই দ্বীপগুলোতে পঞ্চদশ শতকে এসে ভিড় জমান পর্তুগালের নাবিকরা। সেখান থেকে এই ভূখণ্ড হয়ে ওঠে দাস চোরাচালানের মূল কেন্দ্র। এই কারণেই কেপ ভার্দেতে দেশে বসবাসকারী নাগরিকের চেয়ে প্রবাসী নাগরিকের সংখ্যা প্রায় তিনগুণ। আর এই প্রবাসী ফুটবলাররাই বদলে দিয়েছেন কেপ ভার্দের ফুটবল চিত্র। ২০১৫ সাল থেকেই পর্তুগাল থেকে বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের নিজেদের প্রজেক্টে আনতে শুরু করে দেশটি। একের পর এক আফ্রিকান জায়ান্টদের হারিয়ে উঠে এসেছে বিশ্বকাপের মূল পর্বে। গতিময় কাউন্টার অ্যাটাক আর জমাট রক্ষণ তাদের শক্তি। আর সেটা দিয়েই ক্যামেরুন কিংবা অ্যাঙ্গোলার মতো অভিজ্ঞ দলকেও বিশ্বকাপ থেকে বঞ্চিত করেছে তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow