দীঘিনালায় বিনামূল্যে সেনাবাহিনীর চিকিৎসা সেবা পেল ৪ শতাধিক মানুষ
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় ৪ শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে দীঘিনালা সেনা জোন ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (দি বেবি টাইগার্স)-এর আয়োজনে মেরুং উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী একটি বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। দীঘিনালা জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আল আমিন'র নির্দেশনায় আয়োজিত এ মেডিকেল ক্যাম্পে সকাল ৯টা থেকে বিকেল পর্যন্ত ৪ শতাধিক নারী, পুরুষ, শিশু ও প্রবীণ রোগী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করেন। মেডিকেল ক্যাম্পের সার্বিক নেতৃত্ব ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন দীঘিনালা জোনের রেজিমেন্টাল মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ক্যাপ্টেন মু. শায়খউদ্দীন সাকলাইন। তিনি রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান এবং ওষুধ বিতরণ কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করেন। চিকিৎসা নিতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা সুদর্শন চাকমা (৩৮) বলেন, 'দীর্ঘদিন ধরে বুকের ব্যথায় ভুগছিলাম। আজ বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পেয়ে অনেক উপকার হয়েছে। সেনাবাহিনীকে আন্তরিক ধন্যবাদ।' আরেক সেবাগ্রহীতা আব্দুল মান্নান (৪২) বলেন, 'আমাদের এলাকায় ভাল চি
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় ৪ শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে দীঘিনালা সেনা জোন ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (দি বেবি টাইগার্স)-এর আয়োজনে মেরুং উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী একটি বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
দীঘিনালা জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আল আমিন'র নির্দেশনায় আয়োজিত এ মেডিকেল ক্যাম্পে সকাল ৯টা থেকে বিকেল পর্যন্ত ৪ শতাধিক নারী, পুরুষ, শিশু ও প্রবীণ রোগী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করেন।
মেডিকেল ক্যাম্পের সার্বিক নেতৃত্ব ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন দীঘিনালা জোনের রেজিমেন্টাল মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ক্যাপ্টেন মু. শায়খউদ্দীন সাকলাইন। তিনি রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান এবং ওষুধ বিতরণ কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করেন।
চিকিৎসা নিতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা সুদর্শন চাকমা (৩৮) বলেন, 'দীর্ঘদিন ধরে বুকের ব্যথায় ভুগছিলাম। আজ বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পেয়ে অনেক উপকার হয়েছে। সেনাবাহিনীকে আন্তরিক ধন্যবাদ।'
আরেক সেবাগ্রহীতা আব্দুল মান্নান (৪২) বলেন, 'আমাদের এলাকায় ভাল চিকিৎসা পাওয়া কঠিন। আজকের সেনাবাহিনীর এই মেডিকেল ক্যাম্পের কারণে বিনামূল্যে ঔষধ পেয়েছি।'
স্থানীয় জনগণ সেনাবাহিনীর এই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, এ ধরনের কার্যক্রম এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
এ বিষয়ে ক্যাপ্টেন মু. শায়খউদ্দীন সাকলাইন বলেন, 'মেরুং ইউনিয়নের মানুষ আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা থেকে অনেকাংশে বঞ্চিত। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিত এ ধরনের মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করে আসছে। ভবিষ্যতেও আমাদের এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।'
What's Your Reaction?