‌‘দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোটের সুযোগ পাইছি’

‘দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোটের সুযোগ পাইছি। শুধু আমি না, বাবা-মা, স্ত্রী ও বোনদের সঙ্গে নিয়ে ভোরেই ভোট দিয়েছি। এ ভোট শেষে বাড়িতে বসে না থেকে রিকশা নিয়ে বের হয়েছি। কিন্তু ভোটের দিন হওয়ায় সড়কে লোকজন নেই। তিন-চারটা ভাড়া মেরে ৮০ টাকা পেয়েছি। দেখি দুপুর পর্যন্ত দুই-তিনশ হয় কি না। এটা হলে কিছু কাঁচা বাজার ও ডিম কিনে বাড়িতে যাবো।’ ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল পৌনে ১০টার দিকে সিরাজগঞ্জ শহরের বাজার স্টেশন এলাকায় রিকশা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ইসমাইল হোসেন (৩৯) জাগো নিউজকে এসব কথা বলেন। ইসমাইল হোসেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের চকশিয়ালকোল গ্রামের বাসিন্দা। আরও পড়ুনশেরপুরে ভোট দিতে নারী ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি  ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আজকের ভোটে যে সরকারই আসুক, এল্ল্যা যেন আমাদের দিকে নজর দেয়। রিকশা চালিয়ে যা আয় হয়, সেটা দিয়ে সংসার চালানো খুবই কষ্ট। আবার সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালাতে হয়। জিনিসপত্রের যে চড়া দাম, সেটা যেন সরকার ঠিক করে। তাছাড়া দেশের আইনশৃঙ্খলাও বেশি ভালো না।’ ‘ভোটকেন্দ্রে এবার লোকজন কেমন?’ এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগে ভোটকেন্দ্রে শুধু আমি না, অনেকেই যায়নি। তবে এবার কেন্দ্রে ভোর থেকেই লম্বা ল

‌‘দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোটের সুযোগ পাইছি’

‘দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোটের সুযোগ পাইছি। শুধু আমি না, বাবা-মা, স্ত্রী ও বোনদের সঙ্গে নিয়ে ভোরেই ভোট দিয়েছি। এ ভোট শেষে বাড়িতে বসে না থেকে রিকশা নিয়ে বের হয়েছি। কিন্তু ভোটের দিন হওয়ায় সড়কে লোকজন নেই। তিন-চারটা ভাড়া মেরে ৮০ টাকা পেয়েছি। দেখি দুপুর পর্যন্ত দুই-তিনশ হয় কি না। এটা হলে কিছু কাঁচা বাজার ও ডিম কিনে বাড়িতে যাবো।’

১২ ফেব্রুয়ারি সকাল পৌনে ১০টার দিকে সিরাজগঞ্জ শহরের বাজার স্টেশন এলাকায় রিকশা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ইসমাইল হোসেন (৩৯) জাগো নিউজকে এসব কথা বলেন। ইসমাইল হোসেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের চকশিয়ালকোল গ্রামের বাসিন্দা।

ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আজকের ভোটে যে সরকারই আসুক, এল্ল্যা যেন আমাদের দিকে নজর দেয়। রিকশা চালিয়ে যা আয় হয়, সেটা দিয়ে সংসার চালানো খুবই কষ্ট। আবার সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালাতে হয়। জিনিসপত্রের যে চড়া দাম, সেটা যেন সরকার ঠিক করে। তাছাড়া দেশের আইনশৃঙ্খলাও বেশি ভালো না।’

‘ভোটকেন্দ্রে এবার লোকজন কেমন?’ এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগে ভোটকেন্দ্রে শুধু আমি না, অনেকেই যায়নি। তবে এবার কেন্দ্রে ভোর থেকেই লম্বা লাইন। পরিবারের লোকজন সঙ্গে নিয়ে দেখি লম্বা লাইন। পরে ভোটার সিরিয়াল নিয়ে প্রায় ৩০ মিনিটি লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছি। তবুও ভালো লাগছে।’

এম এ মালেক/এসইউ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow