দুই কোটিরও বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশে এখন পর্যন্ত দুই কোটিরও বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে যে ১৮টি উপজেলায় টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছিল, সেখানে হামের সংক্রমণ হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (২৫ মে) দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লায় হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে পুরাতন ভবনের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কুমিল্লা সদর জেনারেল হাসপাতাল (সদর হাসপাতাল) পরিদর্শন করেন। ঈদুল আজহার আগে হাসপাতালগুলোতে জরুরি চিকিৎসা সেবা সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা দেখতে কুমিল্লায় এই সফরে আসেন মন্ত্রী। হামে সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ে সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে স্বাধীন তদন্ত চাচ্ছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ১০ জন মানুষকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়েও যদি হাম সংক্রমণে মায়ের বুক খালি হওয়া থামাতে না পারি, তাহলে কি আমি রক্ষা পাবো? শুধু শাস্তি দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষা করা এবং আর কোনো মায়ের বুক যেন খালি না হয়, সেটা নিশ্চিত কর
দেশে এখন পর্যন্ত দুই কোটিরও বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে যে ১৮টি উপজেলায় টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছিল, সেখানে হামের সংক্রমণ হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন।
সোমবার (২৫ মে) দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লায় হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে পুরাতন ভবনের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কুমিল্লা সদর জেনারেল হাসপাতাল (সদর হাসপাতাল) পরিদর্শন করেন। ঈদুল আজহার আগে হাসপাতালগুলোতে জরুরি চিকিৎসা সেবা সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা দেখতে কুমিল্লায় এই সফরে আসেন মন্ত্রী।
হামে সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ে সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে স্বাধীন তদন্ত চাচ্ছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ১০ জন মানুষকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়েও যদি হাম সংক্রমণে মায়ের বুক খালি হওয়া থামাতে না পারি, তাহলে কি আমি রক্ষা পাবো? শুধু শাস্তি দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষা করা এবং আর কোনো মায়ের বুক যেন খালি না হয়, সেটা নিশ্চিত করা।
এর আগে মন্ত্রী কুমিল্লার সদর জেনারেল হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন। খাবারের মান যাচাই করেন ও রোগীদের বিভিন্ন অভিযোগের কথা শোনেন।
এসময় কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. শাহ জাহান, সহকারী পরিচালক ডা. নিশাত সুলতানা, শিশু বিভাগের প্রধান মিয়া মনজুর আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি সম্পাদক উৎবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
জাহিদ পাটোয়ারী/এফএ/জেআইএম
What's Your Reaction?