দুই পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ বিএনপি জোট প্রার্থীর
আর্থিক সুবিধা নিয়ে প্রার্থীর পক্ষে পক্ষপাতমূলক আচরণ করার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ–৪ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের মনোনীত প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাশেমী এ অভিযোগ করেন। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ফতুল্লা থানার আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নের গোগনগর ও আলীরটেক ইউনিয়ন নিয়ে তার নির্বাচনী এলাকা গঠিত। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় নির্বাচনী কার্যক্রম চলমান থাকলেও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছেন না। অভিযোগে বলা হয়, নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী এবং ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) আনোয়ার হোসেন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখছেন না। অভিযোগকারী দাবি করেন, ওই দুই কর্মকর্তা কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন অনৈতিক উপায়ে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন বলে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে। এ ছাড়া অভিযোগে আরও বলা হয়, বর্তমানে
আর্থিক সুবিধা নিয়ে প্রার্থীর পক্ষে পক্ষপাতমূলক আচরণ করার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ–৪ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের মনোনীত প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাশেমী এ অভিযোগ করেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ফতুল্লা থানার আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নের গোগনগর ও আলীরটেক ইউনিয়ন নিয়ে তার নির্বাচনী এলাকা গঠিত। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় নির্বাচনী কার্যক্রম চলমান থাকলেও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছেন না।
অভিযোগে বলা হয়, নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী এবং ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) আনোয়ার হোসেন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখছেন না।
অভিযোগকারী দাবি করেন, ওই দুই কর্মকর্তা কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন অনৈতিক উপায়ে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন বলে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে।
এ ছাড়া অভিযোগে আরও বলা হয়, বর্তমানে তারা একটি পক্ষের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করে বিশেষ সুবিধা প্রদান করছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই দুই কর্মকর্তা একটি বিত্তশালী ও বিশিষ্ট শিল্পপতি প্রার্থী এবং তার কর্মীদের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন। এর ফলে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভীতি, উদ্বেগ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হচ্ছে এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারণা, সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগের ক্ষেত্রে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ ধরনের আচরণ সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের পরিপন্থী এবং নির্বাচন কমিশনের নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঙ্ঘন বলে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
উল্লেখ্য, এ বিষয়ে গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছেও লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগকারী দাবি করেছেন।
What's Your Reaction?