দুই ভাইয়ের জমি নিয়ে বিরোধ থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে নিহত ১

বরগুনার আমতলীতে দুই ভাইয়ের জমি নিয়ে বিরোধ থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে জহিরুল ইসলাম সিকদার (৪০) নামে একজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। জহিরুল ইসলাম সিকদার উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের মৃত শামসু সিকদারের ছেলে। ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত মো. মনসুর সিকদারকে (৬৫) হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিসহ আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী শেফালি বেগমকেও থানায় আনা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের দুই সহোদর মুনসুর সিকদার ও ফরিদ সিকদারের মধ্যে পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ২৬ শতাংশ (৮ কড়া) জমি নিয়ে প্রায় ২৫-৩০ বছর ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি। ঘটনার দিন সকালে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে মুনসুর সিকদার ছুরি হাতে নিয়ে তার ভাই ফরিদ সিকদারকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধাওয়া করেন। এ সময় পরিস্থিতি শান্ত করতে এগিয়ে আসেন তাদের চাচাত ভাই জহিরুল ইসলাম। তিনি বাধা দিলে মুনসুর সিকদার তার বাম পাঁজরে ছুরিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলে জহিরুল মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

দুই ভাইয়ের জমি নিয়ে বিরোধ থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে নিহত ১

বরগুনার আমতলীতে দুই ভাইয়ের জমি নিয়ে বিরোধ থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে জহিরুল ইসলাম সিকদার (৪০) নামে একজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

জহিরুল ইসলাম সিকদার উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের মৃত শামসু সিকদারের ছেলে। ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত মো. মনসুর সিকদারকে (৬৫) হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিসহ আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী শেফালি বেগমকেও থানায় আনা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের দুই সহোদর মুনসুর সিকদার ও ফরিদ সিকদারের মধ্যে পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ২৬ শতাংশ (৮ কড়া) জমি নিয়ে প্রায় ২৫-৩০ বছর ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।

ঘটনার দিন সকালে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে মুনসুর সিকদার ছুরি হাতে নিয়ে তার ভাই ফরিদ সিকদারকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধাওয়া করেন। এ সময় পরিস্থিতি শান্ত করতে এগিয়ে আসেন তাদের চাচাত ভাই জহিরুল ইসলাম। তিনি বাধা দিলে মুনসুর সিকদার তার বাম পাঁজরে ছুরিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলে জহিরুল মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় শালিসদার মো. লিমন হাওলাদার বলেন, মুনসুর ও ফরিদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি মীমাংসার জন্য চেষ্টা করা হলেও কোনো সুরাহা হয়নি। কাগজপত্র অনুযায়ী মুনসুর সিকদারের ওই জমিতে মালিকানা নেই। তবুও তিনি দাবি করে আসছিলেন।

নিহতের স্ত্রী নুপুর বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, মোর স্বামীডারে কিসের লইগ্যা মারলো? আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান বলেন, নিহত জহিরুলের বাম পাজরে ধারালো ছুরির আঘাত রয়েছে। হাসপাতালে আনার আগে তার মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মুনসুর সিকদারকে হত্যার ব্যবহৃত ছুরিসহ আটক করা হয়েছে। এসময় জিঞ্জাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী শেফালি বেগমকেও থানায় আনা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনার জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নুরুল আহাদ অনিক/আরএইচ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow