দুই মেয়ের সঙ্গে মাকে হারিয়েছেন আবদুস সালাম

খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদি ইউনিয়নের নাকশা গ্রামে এক পরিবারের তিনজনের জানাজার খবরে ছুটে এসেছেন এলাকাবাসী। বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। জানাজা শেষে দাফনের পর মা ও দুই মেয়েকে হারিয়ে শোকে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন বাবা আবদুস সালাম। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কয়রায় এসে পৌঁছান নববধূ মিতু, লামিয়া ও দাদি রাশিদা বেগমের মরদেহ। শুক্রবার (১৩ মার্চ) আনুমানিক সকাল সাড়ে দশটায় জানাজা শেষে তাদের দাফন সম্পন্ন করা হয়। আরও পড়ুনমোংলায় এক উঠানে ৯ মরদেহ, শোকের মাতম বিয়ের আনন্দ শোক হয়ে নেমে এলো সড়কে ময়নাতদন্ত ছাড়াই বর-কনেসহ ১৪ জনের মরদেহ হস্তান্তর পরনে লাল শাড়ি-হাতে মেহেদি, বিয়ের সাজেই শেষ যাত্রা স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বিয়ের একটা আনন্দ বিরাজমান ছিল। দুর্ঘটনার খবরে সালাম মিয়ার পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। যে বাড়িতে তিনদিন ধরে বিয়ের আয়োজন আর আনন্দ ছিল তা নিমিষে শেষ হয়ে গেছে। একই পরিবারের তিনজনের জানাজা এ এলাকায় নয় পুরো অঞ্চলেও কখনো একসঙ্গে হয়নি। পুরো অঞ্চলের মানুষ এমন মর্মান্তিক খবর শুনে মিতুর বাড়িতে ছুটে এসেছেন। মিতুর চাচা মোশারফ হোসেন বলেন, এরকম মর্মান্তিক ঘটনায় আমাদের পরিবার পুরো নিস্তব্

দুই মেয়ের সঙ্গে মাকে হারিয়েছেন আবদুস সালাম

খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদি ইউনিয়নের নাকশা গ্রামে এক পরিবারের তিনজনের জানাজার খবরে ছুটে এসেছেন এলাকাবাসী। বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। জানাজা শেষে দাফনের পর মা ও দুই মেয়েকে হারিয়ে শোকে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন বাবা আবদুস সালাম।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কয়রায় এসে পৌঁছান নববধূ মিতু, লামিয়া ও দাদি রাশিদা বেগমের মরদেহ। শুক্রবার (১৩ মার্চ) আনুমানিক সকাল সাড়ে দশটায় জানাজা শেষে তাদের দাফন সম্পন্ন করা হয়।

দুই মেয়ের সঙ্গে মাকে হারিয়েছেন আবদুস সালাম

আরও পড়ুন
মোংলায় এক উঠানে ৯ মরদেহ, শোকের মাতম

বিয়ের আনন্দ শোক হয়ে নেমে এলো সড়কে

ময়নাতদন্ত ছাড়াই বর-কনেসহ ১৪ জনের মরদেহ হস্তান্তর

পরনে লাল শাড়ি-হাতে মেহেদি, বিয়ের সাজেই শেষ যাত্রা

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বিয়ের একটা আনন্দ বিরাজমান ছিল। দুর্ঘটনার খবরে সালাম মিয়ার পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। যে বাড়িতে তিনদিন ধরে বিয়ের আয়োজন আর আনন্দ ছিল তা নিমিষে শেষ হয়ে গেছে। একই পরিবারের তিনজনের জানাজা এ এলাকায় নয় পুরো অঞ্চলেও কখনো একসঙ্গে হয়নি। পুরো অঞ্চলের মানুষ এমন মর্মান্তিক খবর শুনে মিতুর বাড়িতে ছুটে এসেছেন।

দুই মেয়ের সঙ্গে মাকে হারিয়েছেন আবদুস সালাম

মিতুর চাচা মোশারফ হোসেন বলেন, এরকম মর্মান্তিক ঘটনায় আমাদের পরিবার পুরো নিস্তব্ধ। বলার কিছু নাই। আমাদের পরিবারে শুধু না, এলাকায় কখনো এমন ঘটনা ঘটেনি। আমার চাচি ও দুই ভাইজির জন্য সবার কাছে দোয়া চাই। এর আগে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মোংলা উপজেলার বেলাই ব্রিজ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায়া একই পরিবারের ১৩ জন ও মাইক্রোবাস চালক নিহত হন।

আরিফুর রহমান/আরএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow