দুই সন্তানকে জিম্মি করেন মানসিক ভারসাম্যহীন মা, ৯৯৯ ফোনকলে উদ্ধার

ঘরের ভেতর দুই শিশুর কান্নার শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে যান প্রতিবেশীরা। গিয়ে দেখতে পান মানসিকভাবে অসুস্থ এক নারী তার দুই শিশু কন্যাকে ছুরি হাতে রুমের মধ্যে জিম্মি করে রেখেছেন। প্রতিবেশীরা দরজা খোলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করেন। তাৎক্ষণিক থানা পুলিশের একটি দল এবং ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে উদ্ধার করে দুই শিশুকে। সোমবার (১১ মে) ফেনীর সদর থানার মধ্যম মধুপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে ফেনীর সদর থানার মধ্যম মধুপুর থেকে একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে জানান, নিশি আক্তার নামের এক নারী দুই সন্তানকে একটি রুমে গ্যাসের বোতল ও চাকু নিয়ে জিম্মি করে রেখেছে। দরজা বন্ধ থাকায় কেউ প্রবেশ করতে পারছে না। ওই নারী জানায়, তার স্বর্ণালংকার না দিলে দুই সন্তানকে মেরে ফেলবে। নারীর স্বামী তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেয়ে ও দুই নাতনিকে উদ্ধার করতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে ৯৯৯ কল দেওয়ার পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এসে উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর ২ বছরের ও ১০ বছরের দুই মেয়

দুই সন্তানকে জিম্মি করেন মানসিক ভারসাম্যহীন মা, ৯৯৯ ফোনকলে উদ্ধার

ঘরের ভেতর দুই শিশুর কান্নার শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে যান প্রতিবেশীরা। গিয়ে দেখতে পান মানসিকভাবে অসুস্থ এক নারী তার দুই শিশু কন্যাকে ছুরি হাতে রুমের মধ্যে জিম্মি করে রেখেছেন।

প্রতিবেশীরা দরজা খোলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করেন। তাৎক্ষণিক থানা পুলিশের একটি দল এবং ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে উদ্ধার করে দুই শিশুকে।

সোমবার (১১ মে) ফেনীর সদর থানার মধ্যম মধুপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে ফেনীর সদর থানার মধ্যম মধুপুর থেকে একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে জানান, নিশি আক্তার নামের এক নারী দুই সন্তানকে একটি রুমে গ্যাসের বোতল ও চাকু নিয়ে জিম্মি করে রেখেছে। দরজা বন্ধ থাকায় কেউ প্রবেশ করতে পারছে না। ওই নারী জানায়, তার স্বর্ণালংকার না দিলে দুই সন্তানকে মেরে ফেলবে। নারীর স্বামী তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেয়ে ও দুই নাতনিকে উদ্ধার করতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে ৯৯৯ কল দেওয়ার পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এসে উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর ২ বছরের ও ১০ বছরের দুই মেয়েকে তাদের বাবার জিম্মায় ও নারীকে তার বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

নিশি আক্তারের স্বামী আজিজুল হক তারেক বলেন, আমার স্ত্রীর পরপর দুটি সিজার হওয়ার কারণে কিছুটা অসুস্থ। মাঝেমধ্যে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। আপাতত তার বাবার বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। সুস্থ হলে বাড়িতে নিয়ে আসব।

ফেনী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন, মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ার কারণে মা দুই মেয়ে নিয়ে এক রুমে দরজা তালা লাগিয়ে অবস্থান নেয়। পরিবার চেষ্টা করে বের করতে না পেরে ৯৯৯ কল দিলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস গিয়ে শিশুদের উদ্ধার করে।

সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জিয়াউল করিম চৌধুরী বলেন, নিশি আক্তার কিছুটা অসুস্থ। ৯৯৯ কল পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে। ওই নারীকে তার বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow