দুধকুমার নদের ভাঙন রোধে মানববন্ধন ও সমাবেশ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকডাঙ্গা এলাকায় দুধকুমার নদের ভাঙন থেকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে দুধকুমার নদের ভাঙনকবলিত পাইকডাঙ্গা এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে ভাঙনকবলিত এলাকার কয়েকশো নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।ভূরুঙ্গামারী উপজেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে কুড়িগ্রাম জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আশরাফুল হক রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আখের, দপ্তর সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ইউসুফ, সহ-সভাপতি গোলাম ইয়াসিন ও কচাকাটা থানা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল কুদ্দুস চঞ্চল বক্তব্য রাখেন।কুড়িগ্রাম জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, দুধকুমার নদসহ কুড়িগ্রাম জেলার ১৬টি নদ-নদীর প্রায় ৩৬টি পয়েন্টে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিগত ১০ বছরে জেলার লক্ষাধিক

দুধকুমার নদের ভাঙন রোধে মানববন্ধন ও সমাবেশ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকডাঙ্গা এলাকায় দুধকুমার নদের ভাঙন থেকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে দুধকুমার নদের ভাঙনকবলিত পাইকডাঙ্গা এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে ভাঙনকবলিত এলাকার কয়েকশো নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে কুড়িগ্রাম জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আশরাফুল হক রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আখের, দপ্তর সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ইউসুফ, সহ-সভাপতি গোলাম ইয়াসিন ও কচাকাটা থানা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল কুদ্দুস চঞ্চল বক্তব্য রাখেন।

কুড়িগ্রাম জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, দুধকুমার নদসহ কুড়িগ্রাম জেলার ১৬টি নদ-নদীর প্রায় ৩৬টি পয়েন্টে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিগত ১০ বছরে জেলার লক্ষাধিক মানুষ তাদের বসতভিটা হারিয়ে ঠিকানা বদল করতে বাধ্য হয়েছেন। সরকারি কোনো দপ্তরেই ভিটেমাটি হারা মানুষের সঠিক হিসাব নেই। নতুন করে যারা নদীভাঙনের শিকার হচ্ছেন, কেউ তাদেরও খোঁজ রাখছে না। বিশ্বের অন্যান্য দেশের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীর বহু দেশে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়। অথচ আমাদের দেশে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতিপূরণ তো দূরের কথা, ন্যূনতম সরকারি সহায়তাও পান না। দেশের চরাঞ্চলের কোটি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ‘চর বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ গঠন করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে পাইকডাঙ্গা এলাকায় দুধকুমার নদের ভাঙন রোধে স্থায়ী তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow