দুপক্ষের তুমুল সংঘর্ষে আহত ৮

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে জমি চাষাবাদ নিয়ে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কয়েকটি বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার পালগাঁও ও নলজুরী গ্রামের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আহতরা হলেন, পালগাঁও গ্রামের আ. আজিজ (৫৩), নজরুল ইসলাম (৪৫), আল মেজাহিদ (৩২),  জাকিরুল ইসলাম (২৬), নলজুরী গ্রামের আবু সাইদ (৫৫), মুখলেছ মিয়া (৪৩), জুয়েল (৩৫) ও রিনা আক্তার (৫০)।  স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৩-৪ দিন আগে ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করাকে কেন্দ্র করে পালগাঁও ও নলজুীর গ্রামের দুই কৃষকের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। পরে এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও ক্ষোভ রয়ে যায়। এরই জেরে আজ সকালে উভয় গ্রামের শতাধিক লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।  মোহনগঞ্জ থানার ভা

দুপক্ষের তুমুল সংঘর্ষে আহত ৮

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে জমি চাষাবাদ নিয়ে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কয়েকটি বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার পালগাঁও ও নলজুরী গ্রামের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আহতরা হলেন, পালগাঁও গ্রামের আ. আজিজ (৫৩), নজরুল ইসলাম (৪৫), আল মেজাহিদ (৩২),  জাকিরুল ইসলাম (২৬), নলজুরী গ্রামের আবু সাইদ (৫৫), মুখলেছ মিয়া (৪৩), জুয়েল (৩৫) ও রিনা আক্তার (৫০)। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৩-৪ দিন আগে ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করাকে কেন্দ্র করে পালগাঁও ও নলজুীর গ্রামের দুই কৃষকের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। পরে এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও ক্ষোভ রয়ে যায়। এরই জেরে আজ সকালে উভয় গ্রামের শতাধিক লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। 

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। আপাতত সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow