দুপক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ভৈরব, ককটেল বিস্ফোরণে পুলিশসহ আহত ৩০
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মাইক্রোবাস চালক ও যাত্রীর মধ্যে ভাড়া নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে পৌর শহরের কমলপুর এলাকার যুবকদের সঙ্গে দুর্জয় মোড় সংলগ্ন এলাকার যুবকদের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলা এই সংঘর্ষে বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের পাশাপাশি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ টিয়ার শেল মেরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় ৫ ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১২টা থেকে যান চলাচল শুরু হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (৮ জুন) ভৈরবের দুর্জয় মোড় এলাকায় এক যাত্রী দুই নারীকে নিয়ে মাইক্রোবাস ভাড়া করতে আসেন। এ সময় ভাড়ার টাকা নিয়ে কমলপুর এলাকার মাইক্রোবাস চালক পলাশের সঙ্গে ওই যাত্রীর বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ ঘটনার জের ধরেই গত সোমবার থেকে উত্তেজনা বিরাজ করছিল, যা বুধবার (১০) জুন বিকেল থেকে রূপ নেয় বড় ধরনের সংঘর্ষে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঢাকা-সিলেট মহ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মাইক্রোবাস চালক ও যাত্রীর মধ্যে ভাড়া নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে পৌর শহরের কমলপুর এলাকার যুবকদের সঙ্গে দুর্জয় মোড় সংলগ্ন এলাকার যুবকদের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলা এই সংঘর্ষে বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের পাশাপাশি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ টিয়ার শেল মেরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় ৫ ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১২টা থেকে যান চলাচল শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (৮ জুন) ভৈরবের দুর্জয় মোড় এলাকায় এক যাত্রী দুই নারীকে নিয়ে মাইক্রোবাস ভাড়া করতে আসেন। এ সময় ভাড়ার টাকা নিয়ে কমলপুর এলাকার মাইক্রোবাস চালক পলাশের সঙ্গে ওই যাত্রীর বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ ঘটনার জের ধরেই গত সোমবার থেকে উত্তেজনা বিরাজ করছিল, যা বুধবার (১০) জুন বিকেল থেকে রূপ নেয় বড় ধরনের সংঘর্ষে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক এলাকায় একে অপরের ওপর চড়াও হয়। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত পর্যন্ত দফায় দফায় চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ। সংঘর্ষ চলাকালে এলাকায় বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
এ সময় মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণের কারণে পুরো এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। দুই দফার এই সহিংসতা রাত ১২টা পর্যন্ত রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা। পরে পুলিশ সুপার উপস্থিত হলে টিয়ার শেল মেরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখনো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান শেলী বলেন, খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য চেষ্টা করেছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
What's Your Reaction?