দুর্দান্ত বোলিংয়ে শরিফুলের ‘প্রথম’

টস জিতে বোলিং, ইনিংসের প্রথম ওভারের প্রথম বলেই বাউন্ডারি হজম করলেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের শরিফুল ইসলাম। তবে শুরুটা বাউন্ডারি দিয়ে হলেও এরপর নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ব্যাটারদের রীতিমতো নাচিয়ে ছেড়েছেন এই বাঁহাতি পেসার। তার করা পরের ২২ বলে আর কোনো বাউন্ডারি আদায় করতে পারেননি নোয়াখালীর ব্যাটাররা। প্রথম বলে ৪ রান দেওয়া শরিফুল পরের ২২ বলে দিলেন মাত্র ৫ রান, উইকেটও নিলেন ৫টি। যেটা কিনা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তার প্রথম ফাইফার। বিপিএলে একদিন বিলম্বে ঢাকা পর্ব শুরু হয়েছে আজ শুক্রবার। দিনের প্রথম খেলায় শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাটিং করা নোয়াখালী গুটিয়ে গেছে ১২৬ রানে। প্রতিপক্ষকে এত কম রানে আটকে রাখার সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব চট্টগ্রামের পেসার শরিফুলের। ৩.৫ ওভারে এক মেডেন ওভারসহ মাত্র ৯ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ১৫২ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটিই তার প্রথম ৫ উইকেট। এর আগে, ৫ রানে ৪ উইকেট ছিল তার সেরা বোলিং ফিগার। গত বছর বিপিএলে একই মাঠে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে এমন দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন শরিফুল। গত বছরের বিপিএলে ৫ রানে ৪ উইকেট ছিল এত দিন তার সেরা বোলিং ফিগার। চলতি বিপিএলে এখন

দুর্দান্ত বোলিংয়ে শরিফুলের ‘প্রথম’

টস জিতে বোলিং, ইনিংসের প্রথম ওভারের প্রথম বলেই বাউন্ডারি হজম করলেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের শরিফুল ইসলাম। তবে শুরুটা বাউন্ডারি দিয়ে হলেও এরপর নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ব্যাটারদের রীতিমতো নাচিয়ে ছেড়েছেন এই বাঁহাতি পেসার। তার করা পরের ২২ বলে আর কোনো বাউন্ডারি আদায় করতে পারেননি নোয়াখালীর ব্যাটাররা। প্রথম বলে ৪ রান দেওয়া শরিফুল পরের ২২ বলে দিলেন মাত্র ৫ রান, উইকেটও নিলেন ৫টি। যেটা কিনা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তার প্রথম ফাইফার।

বিপিএলে একদিন বিলম্বে ঢাকা পর্ব শুরু হয়েছে আজ শুক্রবার। দিনের প্রথম খেলায় শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাটিং করা নোয়াখালী গুটিয়ে গেছে ১২৬ রানে। প্রতিপক্ষকে এত কম রানে আটকে রাখার সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব চট্টগ্রামের পেসার শরিফুলের। ৩.৫ ওভারে এক মেডেন ওভারসহ মাত্র ৯ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ১৫২ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটিই তার প্রথম ৫ উইকেট।
এর আগে, ৫ রানে ৪ উইকেট ছিল তার সেরা বোলিং ফিগার। গত বছর বিপিএলে একই মাঠে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে এমন দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন শরিফুল।

গত বছরের বিপিএলে ৫ রানে ৪ উইকেট ছিল এত দিন তার সেরা বোলিং ফিগার। চলতি বিপিএলে এখন পর্যন্ত ১৮ উইকেট নিয়েছেন শরিফুল। তার চেয়ে বেশি উইকেট নেই কারো।

প্রথম ওভারে এক চারে ৭ রান খরচ করেন শরিফুল। এরপর ষষ্ঠ ওভারে তাকে আক্রমণে আনেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক শেখ মেহেদী। ওই ওভারে ৩ রান খরচায় হাসান ইশাখিলের উইকেট নেন শরিফুল। শেষ ৪ ওভারে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন এই বাঁহাতি পেসার।

১৬তম ওভারে বোলিংয়ে এসে তৃতীয় বলে হাসান মাহমুদকে ফেরান তিনি। পরের বলে ড্রেসিং রুমের পথ ধরেন মেহেদী হাসান রানা। এতে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও তৈরী হয়েছিল, যদিও সেটা হয়নি। ১৯তম ওভারে আবার শিকার ধরেন শরিফুল। ওভারের তৃতীয় বলে ছক্কা মারতে গিয়ে এক্সট্রা কাভার অঞ্চলে ক্যাচ দেন সাব্বির হোসেন। এক বল পর ইহসানউল্লাহকে বোল্ড করে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন ২৪ বছর বয়সী বাঁহাতি পেসার।

এসকেডি/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow