দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : পানিসম্পদমন্ত্রী
পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বিগত সময়ে যারা ছিলেন, এরা দেশের অর্থ কীভাবে লুটপাট ও টাকা পাচার করেছে এটা দেশবাসী জানে। যাদের কারণে লাখ লাখ কোটি টাকার প্রকল্প থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি, ঠিকমতো কাজ হয়নি, সেসব দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেসব কাজ চলমান রয়েছে তা দ্রুত শেষ করা হবে। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের রামগতি-কমলনগরের মেঘনড় বাঁধ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশপ্রেমিক সরকার পেয়েছি। গুরুত্বপূর্ণ ও জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাপূরণের জন্য কাজ করা হচ্ছে। নদীর ৩১ কিলোমিটার তীর রক্ষা বাঁধের কাজ চলছে। কাজের ধরন ও মান কেমন হবে তা সব সময় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নজরে থাকবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে কাজগুলো সম্পন্ন করব। তিনি বলেন, আমরা উপকূলীয় অঞ্চলের লোক। প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে আমরা বেঁচে আছি। যখন বর্ষা আসে তখন প্লাবন ও বন্যার স্রোত দেখা দেয়। মজুচৌধুরীরহাট থেকে কমলনগর রামগতি বয়ারচর পর্যন্ত প্রায় ৬২ কিলোমিটার এলাকার অনেক জায়গায় বাঁধ না থাকার কারণে মানুষ বা
পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বিগত সময়ে যারা ছিলেন, এরা দেশের অর্থ কীভাবে লুটপাট ও টাকা পাচার করেছে এটা দেশবাসী জানে। যাদের কারণে লাখ লাখ কোটি টাকার প্রকল্প থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি, ঠিকমতো কাজ হয়নি, সেসব দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেসব কাজ চলমান রয়েছে তা দ্রুত শেষ করা হবে।
শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের রামগতি-কমলনগরের মেঘনড় বাঁধ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশপ্রেমিক সরকার পেয়েছি। গুরুত্বপূর্ণ ও জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাপূরণের জন্য কাজ করা হচ্ছে। নদীর ৩১ কিলোমিটার তীর রক্ষা বাঁধের কাজ চলছে। কাজের ধরন ও মান কেমন হবে তা সব সময় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নজরে থাকবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে কাজগুলো সম্পন্ন করব।
তিনি বলেন, আমরা উপকূলীয় অঞ্চলের লোক। প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে আমরা বেঁচে আছি। যখন বর্ষা আসে তখন প্লাবন ও বন্যার স্রোত দেখা দেয়। মজুচৌধুরীরহাট থেকে কমলনগর রামগতি বয়ারচর পর্যন্ত প্রায় ৬২ কিলোমিটার এলাকার অনেক জায়গায় বাঁধ না থাকার কারণে মানুষ বাড়িঘর হারিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জায়গাজমি হারিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। উৎপাদিত ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বাঁধের কাজ শেষ হলে মেঘনা পাড়ের মানুষের কষ্ট অনেকটা কমে আসবে। সবার সহযোগিতা নিয়ে এ বাঁধের কাজ শেষ করা হবে।
এসময় জাতীয় সংসদের হুইপ লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের এমপি এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?