‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ছাড়া বাজেটের লক্ষ্য অর্জন অসম্ভব’

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন ছাড়া জাতীয় বাজেটের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু এবং মহাসচিব ড. আবু ইউসুফ সেলিম।  বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ তথ্য জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, ঘোষিত বাজেটে অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা, রাজস্ব আহরণের সীমাবদ্ধতা এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা বিবেচনায় বাজেট বাস্তবায়ন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘বাজেটের সফল বাস্তবায়নের জন্য সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়ন প্রকল্প, সরকারি ক্রয় এবং বিভিন্ন খাতে দুর্নীতি ও অপচয় বন্ধ করা না গেলে বাজেটের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে এবং জনগণ এর সুফল থেকে বঞ্চিত হবে।’ তারা বলেন, ‘দেশে বিদ্যমান মূল্যস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় বাজেট বাস্তবায়নের নামে অতিরিক্ত ঋণনির্ভরতা বা অর্থের অযৌক্তিক প্রবাহ সৃষ্টি হলে মুদ্রাস্ফীতি আরও বেড়ে যেতে পারে। তাই অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সরকারকে সতর্কতার সঙ্গে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।’ তারা আরও ব

‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ছাড়া বাজেটের লক্ষ্য অর্জন অসম্ভব’
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন ছাড়া জাতীয় বাজেটের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু এবং মহাসচিব ড. আবু ইউসুফ সেলিম।  বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ তথ্য জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, ঘোষিত বাজেটে অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা, রাজস্ব আহরণের সীমাবদ্ধতা এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা বিবেচনায় বাজেট বাস্তবায়ন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘বাজেটের সফল বাস্তবায়নের জন্য সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়ন প্রকল্প, সরকারি ক্রয় এবং বিভিন্ন খাতে দুর্নীতি ও অপচয় বন্ধ করা না গেলে বাজেটের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে এবং জনগণ এর সুফল থেকে বঞ্চিত হবে।’ তারা বলেন, ‘দেশে বিদ্যমান মূল্যস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় বাজেট বাস্তবায়নের নামে অতিরিক্ত ঋণনির্ভরতা বা অর্থের অযৌক্তিক প্রবাহ সৃষ্টি হলে মুদ্রাস্ফীতি আরও বেড়ে যেতে পারে। তাই অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সরকারকে সতর্কতার সঙ্গে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।’ তারা আরও বলেন, ‘বাজেট বাস্তবায়নে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। বৈধ পথে প্রবাসী আয় দেশে আনতে কার্যকর প্রণোদনা ও প্রবাসীবান্ধব নীতিগ্রহণের পাশাপাশি নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টিতে উদ্যোগ নিতে হবে। উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রাজস্ব আহরণে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমেই বাজেটের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। অন্যথায় এই উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow