দুর্লভ বুনো রক্তফল’র সমাহার নিয়ে শনিবার রাজধানীতে বসছে পাহাড়ি ফল মেলা
পাহাড়ের বুক থেকে বয়ে আসা অর্গানিক ফলের সুমিষ্ট স্বাদ, অনন্য কৃষিজ ঐতিহ্য এবং বৈচিত্র্যময় পাহাড়ি সংস্কৃতিকে সমতলের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে রাজধানীতে শুরু হচ্ছে বর্ণাঢ্য আয়োজন। ‘পাহাড়ি ফলের ঘ্রাণ, বৈচিত্র্যময় প্রাণ’— এই চমৎকার প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আগামী ২৭ থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত রাজধানীর বেইলি রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘পাহাড়ি ফল মেলা ২০২৬’। পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আগামী শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১০টায় পার্বত্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ফল মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মেলা প্রাঙ্গণ সকলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে। এবারের মেলায় বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার মোট ৩০টি স্টল থাকবে। মেলা প্রাঙ্
পাহাড়ের বুক থেকে বয়ে আসা অর্গানিক ফলের সুমিষ্ট স্বাদ, অনন্য কৃষিজ ঐতিহ্য এবং বৈচিত্র্যময় পাহাড়ি সংস্কৃতিকে সমতলের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে রাজধানীতে শুরু হচ্ছে বর্ণাঢ্য আয়োজন। ‘পাহাড়ি ফলের ঘ্রাণ, বৈচিত্র্যময় প্রাণ’— এই চমৎকার প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আগামী ২৭ থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত রাজধানীর বেইলি রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘পাহাড়ি ফল মেলা ২০২৬’। পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
আগামী শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১০টায় পার্বত্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ফল মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মেলা প্রাঙ্গণ সকলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে।
এবারের মেলায় বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার মোট ৩০টি স্টল থাকবে। মেলা প্রাঙ্গণে সাজানো থাকবে পাহাড়ের সুস্বাদু মৌসুমী ফল- আম, আনারস, কাঁঠাল, কলা থেকে শুরু করে দুর্লভ বুনো রক্তফল (রসকো), রাম্বুটান ও বুনো বেলের মতো বাহারি ফলের সমাহার।
রাজধানীতে বসবাসরত নাগরিক ও দর্শনার্থীরা এখানে এসে যেমন কেমিক্যালমুক্ত টাটকা পাহাড়ি ফলের স্বাদ নিতে পারবেন, তেমনই খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাবেন পাহাড়ি মানুষের জীবনযাত্রা, ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প ও কোমর তাঁতের বুনন।
আয়োজক পক্ষ মনে করছেন, এই মেলা কেবল ফল কেনাবেচার আসর নয়, বরং এটি তিন পার্বত্য জেলার প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদিত ফলের বাজার সম্প্রসারণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভোক্তা ও উৎপাদকদের মধ্যে একটি টেকসই সেতু বন্ধন তৈরি করবে। একই সাথে শহুরে মানুষের জন্য এটি হবে একটি সমন্বিত শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা।
মেলা উপলক্ষে প্রতি সন্ধ্যায় থাকবে বিশেষ আকর্ষণ। তিন পার্বত্য জেলা থেকে আগত নৃ-গোষ্ঠীর স্থানীয় শিল্পীরা মেলা প্রাঙ্গণে পরিবেশন করবেন তাদের ঐতিহ্যবাহী মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সমস্ত প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মেলা প্রচারের লক্ষ্যে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার লাগানোর পাশাপাশি জাতীয় দৈনিক ও টিভি স্ক্রলে প্রচারণার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, বান্দরবান পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য সাচিং প্রু এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মিসেস মাধবী মার্মা।
এমএএস/এমএএইচ/
What's Your Reaction?