দুস্থদের ভিজিএফের চালের লাইনে কলেজ শিক্ষক
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা পৌরসভায় হতদরিদ্র, বিধবা ও দুস্থদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল নিতে লাইনে দাঁড়ানো এক কলেজ শিক্ষককে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (১৬ মার্চ) ভিজিএফের চাল বিতরণের সময় লাইনে দাঁড়িয়ে চাল নিতে দেখা যায় নিগার সিদ্দিক ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক ইয়াসিন আলিকে। জানা গেছে, তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সিগঞ্জে অবস্থিত নিগার সিদ্দিক ডিগ্রি কলেজের শরীরচর্চা শিক্ষক। একজন কলেজ শিক্ষককে দুস্থদের চালের লাইনে দেখে উপস্থিত অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন। কলেজ শিক্ষক ইয়াসিন আলি বলেন, আমার বাসায় কে কার্ড দিয়ে গেছে আমি জানি না। তবে কার্ড পেয়েছি, তাই চাল নিতে এসেছি। স্থানীয়দের দাবি, ইয়াসিন আলির আলমডাঙ্গা পৌরসভার এরশাদপুর এলাকায় নিজস্ব ফ্ল্যাটবাড়ি রয়েছে এবং তিনি জমিজমার মালিক। সচ্ছল হয়েও সরকারি ত্রাণ গ্রহণ করা অনৈতিক। পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. রানা বলেন, এবার স্বচ্ছতার ভিত্তিতে চাল বিতরণ করা হচ্ছে, হয়তো ভুলবশত তার হাতে কার্ড চলে গেছে। আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন, বিষয়টি জানার পর খোঁজ নেওয়া হয়েছে। যদি তিনি প্রকৃত উপকারভোগী না হন, তাহলে সেই চা
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা পৌরসভায় হতদরিদ্র, বিধবা ও দুস্থদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল নিতে লাইনে দাঁড়ানো এক কলেজ শিক্ষককে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (১৬ মার্চ) ভিজিএফের চাল বিতরণের সময় লাইনে দাঁড়িয়ে চাল নিতে দেখা যায় নিগার সিদ্দিক ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক ইয়াসিন আলিকে।
জানা গেছে, তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সিগঞ্জে অবস্থিত নিগার সিদ্দিক ডিগ্রি কলেজের শরীরচর্চা শিক্ষক। একজন কলেজ শিক্ষককে দুস্থদের চালের লাইনে দেখে উপস্থিত অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন।
কলেজ শিক্ষক ইয়াসিন আলি বলেন, আমার বাসায় কে কার্ড দিয়ে গেছে আমি জানি না। তবে কার্ড পেয়েছি, তাই চাল নিতে এসেছি।
স্থানীয়দের দাবি, ইয়াসিন আলির আলমডাঙ্গা পৌরসভার এরশাদপুর এলাকায় নিজস্ব ফ্ল্যাটবাড়ি রয়েছে এবং তিনি জমিজমার মালিক। সচ্ছল হয়েও সরকারি ত্রাণ গ্রহণ করা অনৈতিক।
পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. রানা বলেন, এবার স্বচ্ছতার ভিত্তিতে চাল বিতরণ করা হচ্ছে, হয়তো ভুলবশত তার হাতে কার্ড চলে গেছে।
আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন, বিষয়টি জানার পর খোঁজ নেওয়া হয়েছে। যদি তিনি প্রকৃত উপকারভোগী না হন, তাহলে সেই চাল যেন কোনো গরিব ব্যক্তিকে দেওয়া হয়।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা যেন প্রকৃত অসহায় মানুষের কাছেই পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে কঠোর যাচাই-বাছাই প্রয়োজন।
হুসাইন মালিক/এনএইচআর/জেআইএম
What's Your Reaction?