দেশের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রতিমন্ত্রী পুতুল

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, নববর্ষ শুধু আনন্দের উৎসব নয়; এটি সামাজিক সম্প্রীতি, মানবিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধির অন্যতম উপলক্ষ। দেশের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে নাটোরের লালপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ বর্ষবরণ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, লালপুর-বাগাতিপাড়া সহ সারাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধারণ করে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখাতে প্রত্যেকের জায়গা থেকে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালি জাতির প্রাণের উৎসব। এ উৎসব আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক। নতুন বছর মানুষকে নতুন স্বপ্ন, নতুন প্রত্যয় এবং উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেয়। এর আগে উপজেলা চত্বর থেকে ঢাক-ঢোলের বাদ্য, মুখোশ, ফেস্টুন ও রঙিন ব্যানারে সজ্জিত শোভাযাত্রাটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা চ

দেশের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রতিমন্ত্রী পুতুল
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, নববর্ষ শুধু আনন্দের উৎসব নয়; এটি সামাজিক সম্প্রীতি, মানবিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধির অন্যতম উপলক্ষ। দেশের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে নাটোরের লালপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ বর্ষবরণ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, লালপুর-বাগাতিপাড়া সহ সারাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধারণ করে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখাতে প্রত্যেকের জায়গা থেকে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালি জাতির প্রাণের উৎসব। এ উৎসব আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক। নতুন বছর মানুষকে নতুন স্বপ্ন, নতুন প্রত্যয় এবং উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেয়। এর আগে উপজেলা চত্বর থেকে ঢাক-ঢোলের বাদ্য, মুখোশ, ফেস্টুন ও রঙিন ব্যানারে সজ্জিত শোভাযাত্রাটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রা পায় প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর রূপ। পরে পান্তা-ভাত, মাছ, নানা ধরনের ভর্তা ও দেশীয় খাবারের সমাহার উপস্থিত অতিথি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসবের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তোলে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জুলহাস হোসেন সৌরভের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবির হোসেন, লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মনজুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পু, গোপালপুর পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মোলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুর রহমান বাবু এবং ঈশ্বরদী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ রনজুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত, জনপ্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসনের সদস্য, সাংবাদিক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মী। এ সময় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল আটজন প্রতিবন্ধী নারী-পুরুষের মাঝে হুইলচেয়ার ও ট্রাইসাইকেল বিতরণ করেন। পরে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অন্য দিকে গৌরীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে কলেজে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow