দেশের তরুণ-তরুণীরা ইন্টারনেটে কী বেশি খোঁজে? জানাল জরিপ
দেশের তরুণ-তরুণীদের ডিজিটাল অভ্যাসে সবচেয়ে বড় জায়গা দখল করে আছে চাকরির তথ্য অনুসন্ধান। অনলাইনে প্রবেশ করলেই অধিকাংশ তরুণের লক্ষ্য থাকে সরকারি চাকরির খোঁজ। এর পাশাপাশি ক্রীড়াবিষয়ক তথ্যও তাদের আগ্রহের শীর্ষে রয়েছে; এমনই চিত্র উঠে এসেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাম্প্রতিক জরিপে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিবিএস অডিটোরিয়ামে প্রকাশিত সংস্থাটির সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, দেশের তরুণ-তরুণীরা অনলাইনে সবচেয়ে বেশি সার্চ করেন সরকারি চাকরির তথ্য- ৬৪ দশমিক ২ শতাংশ। চাকরির তথ্যের পরেই পছন্দের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ক্রীড়া সংক্রান্ত তথ্য- ৪৯ দশমিক ৮ শতাংশ। এ ছাড়া প্রতিদিন ৭২ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ অন্তত একবার ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন।
বিবিএসের আইসিটি প্রয়োগ ও ব্যবহারিক জরিপে আরও দেখা যায়, স্মার্ট ফোন ব্যবহারের শীর্ষে কুমিল্লা, সর্বনিম্ন কুড়িগ্রাম। ইন্টারনেট ব্যবহারে শীর্ষে ঢাকা ৬৫ দশমিক ৪ শতাংশ পরিবার ও সর্বনিম্ন ময়মনসিংহে ৩৭ দশমিক ৮ শতাংশ পরিবার।
গত তিন মাসে ১১ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ অনলাইনে পণ্য বা সেবা ক্রয় করেছেন। আর গত এক বছরে ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ অনলাইনে সরকারি সেবা গ্রহণ করেছেন। দেশে
দেশের তরুণ-তরুণীদের ডিজিটাল অভ্যাসে সবচেয়ে বড় জায়গা দখল করে আছে চাকরির তথ্য অনুসন্ধান। অনলাইনে প্রবেশ করলেই অধিকাংশ তরুণের লক্ষ্য থাকে সরকারি চাকরির খোঁজ। এর পাশাপাশি ক্রীড়াবিষয়ক তথ্যও তাদের আগ্রহের শীর্ষে রয়েছে; এমনই চিত্র উঠে এসেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাম্প্রতিক জরিপে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিবিএস অডিটোরিয়ামে প্রকাশিত সংস্থাটির সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, দেশের তরুণ-তরুণীরা অনলাইনে সবচেয়ে বেশি সার্চ করেন সরকারি চাকরির তথ্য- ৬৪ দশমিক ২ শতাংশ। চাকরির তথ্যের পরেই পছন্দের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ক্রীড়া সংক্রান্ত তথ্য- ৪৯ দশমিক ৮ শতাংশ। এ ছাড়া প্রতিদিন ৭২ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ অন্তত একবার ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন।
বিবিএসের আইসিটি প্রয়োগ ও ব্যবহারিক জরিপে আরও দেখা যায়, স্মার্ট ফোন ব্যবহারের শীর্ষে কুমিল্লা, সর্বনিম্ন কুড়িগ্রাম। ইন্টারনেট ব্যবহারে শীর্ষে ঢাকা ৬৫ দশমিক ৪ শতাংশ পরিবার ও সর্বনিম্ন ময়মনসিংহে ৩৭ দশমিক ৮ শতাংশ পরিবার।
গত তিন মাসে ১১ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ অনলাইনে পণ্য বা সেবা ক্রয় করেছেন। আর গত এক বছরে ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ অনলাইনে সরকারি সেবা গ্রহণ করেছেন। দেশে অনলাইন দক্ষতার মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে কপি-পেস্ট করার সক্ষমতা ৮৪ দশমিক ৪ শতাংশ।
ডিজিটাল ঝুঁকির ক্ষেত্রে ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যবহারকারী ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার সংক্রমণের মুখে পড়েছেন। পরিবার পর্যায়ে মোবাইল ফোনে প্রবেশাধিকার রয়েছে ৯৮ দশমিক ৯ শতাংশের, ইন্টারনেট ৫৫ দশমিক ১ শতাংশ এবং কম্পিউটার মাত্র ৯ দশমিক ০ শতাংশ।
ব্যক্তি পর্যায়ে মোবাইল ব্যবহার করেন ৮৮ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ, ইন্টারনেট ব্যবহার করেন ৫৩ দশমিক ৪ শতাংশ এবং কম্পিউটার ব্যবহার করেন ১১ দশমিক ৩ শতাংশ। ইন্টারনেট ব্যবহারে শহর-গ্রামে রয়েছে বড় ধরনের বৈষম্য। গ্রামে ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ, শহরে ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ।শ। ইন্টারনেট ব্যবহারে চরম বৈষম্য—গ্রামে ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ। শহরে ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ।
মোবাইল মালিকানায় পুরুষরা এগিয়ে—৭০ দশমিক ০ শতাংশ, যেখানে নারীর হার ৫৮ দশমিক ৯ শতাংশ। ইন্টারনেট ব্যবহারে পুরুষ ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ এবং নারী ৫০ দশমিক ২ শতাংশ। বেশি দামের কারণে ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট সেবা গ্রহণ করেন না।
এছাড়া মুঠোফোনে রেডিও শোনার প্রবণতা বাড়ছে, বিপরীতে কমছে টেলিভিশনের ব্যবহার; জরিপে এমন তথ্যও উঠে এসেছে। আইসিটির উন্নয়নে বাংলাদেশ এখনও মায়ানমার ও শ্রীলঙ্কার চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। যদিও দেশে ৯৮ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবার মুঠোফোন ব্যবহার করছে এবং স্মার্টফোন রয়েছে ৭২ দশমিক ৭ শতাংশ পরিবারের হাতে। একই সঙ্গে ৯৮ দশমিক ৫ শতাংশ পরিবার বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে।