দেশের মানুষকে ভালো রাখার জন্য আমৃত্যু লড়েছেন খালেদা জিয়া : খায়রুল কবির
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব, নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি ও নরসিংদী-১ আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী খায়রুল কবির খোকন বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া মানুষের কল্যাণে, দেশের গণতন্ত্র উদ্ধারে এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আপসহীন ছিলেন। সব আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে আমৃত্যু দেশের মানুষকে ভালো রাখার জন্য তিনি লড়াই করে গেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত হয়েছেন, তার চেয়েও বেশি বেগম খালেদা জিয়াকে দেশের মানুষ মর্যাদা দিয়েছে। এমন বিদায় পৃথিবীর ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নরসিংদী শিশু একাডেমিতে জেলা বিএনপি আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। খায়রুল কবির খোকন বলেন, জিয়াউর রহমানের সমাধি সরাতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লুই আই কানের নকশা ৩ কোটি টাকা খরচ করে শেখ হাসিনা নিয়ে আসেন। সে নকশায় জিয়াউর রহমানের সমাধি ছিল না। একাধিকবার সংসদ ভবন এলাকা থেকে জিয়াউর রহমানের কবর সরানোর উদ্যোগ নিয়েও সফল হতে পারেননি। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, চব্বিশের আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। আর সেই জিয়াউর রহমানের কবরের প
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব, নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি ও নরসিংদী-১ আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী খায়রুল কবির খোকন বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া মানুষের কল্যাণে, দেশের গণতন্ত্র উদ্ধারে এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আপসহীন ছিলেন। সব আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে আমৃত্যু দেশের মানুষকে ভালো রাখার জন্য তিনি লড়াই করে গেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত হয়েছেন, তার চেয়েও বেশি বেগম খালেদা জিয়াকে দেশের মানুষ মর্যাদা দিয়েছে। এমন বিদায় পৃথিবীর ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নরসিংদী শিশু একাডেমিতে জেলা বিএনপি আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
খায়রুল কবির খোকন বলেন, জিয়াউর রহমানের সমাধি সরাতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লুই আই কানের নকশা ৩ কোটি টাকা খরচ করে শেখ হাসিনা নিয়ে আসেন। সে নকশায় জিয়াউর রহমানের সমাধি ছিল না। একাধিকবার সংসদ ভবন এলাকা থেকে জিয়াউর রহমানের কবর সরানোর উদ্যোগ নিয়েও সফল হতে পারেননি। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, চব্বিশের আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। আর সেই জিয়াউর রহমানের কবরের পাশেই রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। কোটি মানুষ চোখের জলে বেদনাহত চিত্তে বিদায় জানিয়েছেন দেশের অভিভাবককে। সৌম্য ও শান্তির প্রতীক খালেদা জিয়া শেষযাত্রায় যে সম্মান পেয়েছেন, তা ইতিহাসে বিরল। আল্লাহ যাকে সম্মান দেন, কেউ তা কেড়ে নিতে পারে না। গোটা বিশ্ব আজ তাকে সম্মান জানাচ্ছে।
তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। শোককে শক্তিতে পরিণত করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ অনুসরণ করে নির্বাচনে বিজয় অর্জন করতে হবে।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মন্জুর এলাহীর সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি সাবেক এমপি সরদার শাখাওয়াত হোসেন বকুল, সহসভাপতি তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, অ্যাডভোকেট আব্দুল বাছেদ ভূঁইয়া, বিজি রশিদ নওশের, আকবর হোসেন, হারুন অর রশিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহসিন হোসাইন বিদ্যুৎ, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু সালেহ চৌধুরী, শহর বিএনপির সভাপতি এ কে এম গোলাম কবির কামাল এবং সাধারণ সম্পাদক ফারুক উদ্দিন ভূঁইয়া।
What's Your Reaction?