দেশের মানুষ ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতায় দেখতে চায়: জামায়াত আমির

দেশের মানুষ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতায় দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। দেশবাসীর উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, আপনারা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করুন। ১২ অথবা ১৩ তারিখ থেকে অবসরে যাবেন। তার আগে ১১ দলীয় জোটকে জেতানোর জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নাটোর এন এস কলেজ মাঠে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নাটোর জেলা জামায়াতের আমির ড. মীর নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নাটোর-১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‌‘শহীদ আবু সাঈদ থেকে ওসমান হাদি পর্যন্ত ১৪০০ জন মানুষ, ছাত্র-ছাত্রী তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশের জন্য, ন্যায়বিচারের জন্য, ইনসাফ কায়েমের জন্য। আমাদের কাঁধের ওপরে রেখে গেছেন গুরুদায়িত্ব। আজ গ্রাম আদালত থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত বিচার ব্যবস্থা বিক্রি হয়। না হলে ঋণখেলাপিরা কীভাবে নির্বাচনে স্বপ্ন দেখে? তিনি বলেন, ‘আজ বাংলার মানুষ, তরুণ, মা-বোনেরা জেগেছে। তরুণরা এরইমধ্যে তাদের রায় জানিয়ে দিয

দেশের মানুষ ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতায় দেখতে চায়: জামায়াত আমির

দেশের মানুষ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতায় দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।

দেশবাসীর উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, আপনারা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করুন। ১২ অথবা ১৩ তারিখ থেকে অবসরে যাবেন। তার আগে ১১ দলীয় জোটকে জেতানোর জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নাটোর এন এস কলেজ মাঠে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নাটোর জেলা জামায়াতের আমির ড. মীর নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নাটোর-১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‌‘শহীদ আবু সাঈদ থেকে ওসমান হাদি পর্যন্ত ১৪০০ জন মানুষ, ছাত্র-ছাত্রী তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশের জন্য, ন্যায়বিচারের জন্য, ইনসাফ কায়েমের জন্য। আমাদের কাঁধের ওপরে রেখে গেছেন গুরুদায়িত্ব। আজ গ্রাম আদালত থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত বিচার ব্যবস্থা বিক্রি হয়। না হলে ঋণখেলাপিরা কীভাবে নির্বাচনে স্বপ্ন দেখে?

তিনি বলেন, ‘আজ বাংলার মানুষ, তরুণ, মা-বোনেরা জেগেছে। তরুণরা এরইমধ্যে তাদের রায় জানিয়ে দিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় গিয়ে আপাতত ঠেকেছে। দশ দশটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রায় দিয়েছে, রক্ত দিয়েছে। এদেশের তরুণ সমাজ বলে দিয়েছে এদেশে ন্যায় এবং সত্য দিয়ে কোনো চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজদের সঙ্গে এক হওয়ার জন্য নয়।’

জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের মা-বোনেরা সিদ্ধান্ত ব্যক্ত করতে শুরু করেছেন। তারা দাঁড়িপাল্লা, শাপলা কলি, রিকশাসহ ১১ দলীয় প্রার্থীদের ভোট দেবেন। দেশের মানুষ জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতায় দেখতে চান।’

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন স্কেল প্রসঙ্গে ডা. শফিকু রহমান বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যারা বেতন স্কেলের জন্য আন্দোলন করছেন, তারা প্রত্যেকে আমার ভাই। অথচ আমাদেরকে তাদের মুখোমুখি করা হচ্ছে। এটা কাম্য নয়। সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়তে হবে। সরকারি কর্মচারীদের উপযুক্ত বেতন ভাতা দিতে হবে। তাহলে তারা দুর্নীতিমুক্তভাবে দেশ পরিচালনায় কাজ করতে পারবেন।’

রেজাউল করিম রেজা/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow