দেশের শস্য ভাণ্ডারে যুক্ত হলো ব্রি’র নতুন ৬ জাতের ধান

বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও সুসংহত করতে ধানের নতুন আরও ৬টি উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)। এর মধ্যে রয়েছে দেশের প্রথম ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ ‘কালো চাল’ এবং প্রতিকূল পরিবেশ সহনশীল দু’টি হাইব্রিড জাত। গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) কৃষি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় বীজ বোর্ডের ১১৫তম সভায় এই জাতগুলো সারা দেশে চাষাবাদের জন্য অবমুক্ত করা হয়। কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় ব্রি’র মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এই ৬টি জাতসহ ব্রি উদ্ভাবিত মোট ধানের জাতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১২৭টিতে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র লিয়াজোঁ অফিসার আব্দুল মমিন তিনি জানান, নতুন উদ্ভাবিত জাতগুলোসহ ব্রি’র ৩৯টি জাত রয়েছে বন্যা, খরা, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতাসহ বিভিন্ন বৈরী পরিবেশ সহনশীল। ব্রি উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর ফলেই বর্তমানে বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয়। যেখানে স্বাধীনতার আগে ১৯৭১ সালে মাথাপিছু জমির পরিমাণ ছিল ২০ শতাংশ, এখন তা ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। এ সময়ে

দেশের শস্য ভাণ্ডারে যুক্ত হলো ব্রি’র নতুন ৬ জাতের ধান

বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও সুসংহত করতে ধানের নতুন আরও ৬টি উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)। এর মধ্যে রয়েছে দেশের প্রথম ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ ‘কালো চাল’ এবং প্রতিকূল পরিবেশ সহনশীল দু’টি হাইব্রিড জাত।

দেশের শস্য ভাণ্ডারে যুক্ত হলো ব্রি’র নতুন ৬ জাতের ধান

গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) কৃষি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় বীজ বোর্ডের ১১৫তম সভায় এই জাতগুলো সারা দেশে চাষাবাদের জন্য অবমুক্ত করা হয়। কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় ব্রি’র মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এই ৬টি জাতসহ ব্রি উদ্ভাবিত মোট ধানের জাতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১২৭টিতে।

দেশের শস্য ভাণ্ডারে যুক্ত হলো ব্রি’র নতুন ৬ জাতের ধান

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র লিয়াজোঁ অফিসার আব্দুল মমিন তিনি জানান, নতুন উদ্ভাবিত জাতগুলোসহ ব্রি’র ৩৯টি জাত রয়েছে বন্যা, খরা, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতাসহ বিভিন্ন বৈরী পরিবেশ সহনশীল। ব্রি উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর ফলেই বর্তমানে বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয়। যেখানে স্বাধীনতার আগে ১৯৭১ সালে মাথাপিছু জমির পরিমাণ ছিল ২০ শতাংশ, এখন তা ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। এ সময়ে লোকসংখ্যা আড়াই গুণ বেড়েছে, কিন্তু খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ৪ গুণ।

মো. আমিনুল ইসলাম/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow