দেশে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বাড়ায় গণতন্ত্রী পার্টির উদ্বেগ
দেশে সাম্প্রতিক সময়ে নারী ও শিশু ধর্ষণ, নিপীড়ন ও সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গণতন্ত্রী পার্টি। বিশেষ করে আলোচিত রামিসা ধর্ষণসহ সারাদেশে একের পর এক ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় দেশবাসীর মধ্যে উদ্বেগ, ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে মন্তব্য করেছে দলটি। এক যৌথ বিবৃতিতে গণতন্ত্রী পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্যারিস্টার মো. আরশ আলী, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার এবং সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ভূপেন্দ্র ভৌমিক দোলন বলেন, দেশে আইনের শাসনের দুর্বলতা, সামাজিক অবক্ষয়, বিচারহীনতার সংস্কৃতি এবং নারীর নিরাপত্তাহীনতার কারণেই শিশু ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরাধীরা দ্রুত বিচারের আওতায় না আসায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। দলটির নেতারা আরও বলেন, একটি সভ্য ও মানবিক রাষ্ট্রে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে আজ পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র এমনকি জনপরিসরেও নারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ পরিস্থি
দেশে সাম্প্রতিক সময়ে নারী ও শিশু ধর্ষণ, নিপীড়ন ও সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গণতন্ত্রী পার্টি। বিশেষ করে আলোচিত রামিসা ধর্ষণসহ সারাদেশে একের পর এক ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় দেশবাসীর মধ্যে উদ্বেগ, ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে মন্তব্য করেছে দলটি।
এক যৌথ বিবৃতিতে গণতন্ত্রী পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্যারিস্টার মো. আরশ আলী, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার এবং সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ভূপেন্দ্র ভৌমিক দোলন বলেন, দেশে আইনের শাসনের দুর্বলতা, সামাজিক অবক্ষয়, বিচারহীনতার সংস্কৃতি এবং নারীর নিরাপত্তাহীনতার কারণেই শিশু ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরাধীরা দ্রুত বিচারের আওতায় না আসায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
দলটির নেতারা আরও বলেন, একটি সভ্য ও মানবিক রাষ্ট্রে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে আজ পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র এমনকি জনপরিসরেও নারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ পরিস্থিতি জাতির জন্য গভীর লজ্জা ও উদ্বেগের বিষয়।
বিবৃতিতে রামিসাসহ সকল শিশু ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং সর্বস্তরে নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।
তারা বলেন, শিশু ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে সকল প্রগতিশীল, মানবিক ও গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।
What's Your Reaction?