দেশে ফিরে জাতীয় বীরের মর্যাদা পেলেন যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে না পারা আরতান

ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিতর্কের শিকার হন সোমালিয়ার রেফারি ওমর আবদুলকাদির আরতান। ২০২৬ বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেও দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি পাননি তিনি। ফলে ইতিহাস গড়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে আফ্রিকার বর্ষসেরা এই রেফারির। আরতান বিশ্বকাপে দায়িত্ব পেলে তিনিই হতেন প্রথম সোমালি রেফারি, যিনি ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে ম্যাচ পরিচালনা করতেন। ২০১৮ সালে ফিফার তালিকাভুক্ত রেফারি হওয়া আরতান ইতোমধ্যেই আফ্রিকান ফুটবলে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন। তিনি ২০২৪ সালে প্রথম সোমালি হিসেবে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্স (আফকন)-এ ম্যাচ পরিচালনা করেন এবং ২০২৫ সালে আফ্রিকার সেরা রেফারির স্বীকৃতিও পান। এক সাক্ষাৎকারে আরতান বলেন, \"আমি কখনও ভাবিনি এমন কিছু ঘটবে। বিশ্বকাপে রেফারিং করা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন।\" তিনি আরও বলেন, ‘আমি সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং বৈধ ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলাম। তারপরও আমাকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।’ মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি, নিরাপত্তা যাচাইয়ে কিছু উদ্বেগের কারণে তাকে দেশে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। যদিও আরতান তার বিরুদ্ধে আনা যেকোনো ধরনের অভিযোগ বা সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার কর

দেশে ফিরে জাতীয় বীরের মর্যাদা পেলেন যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে না পারা আরতান

ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিতর্কের শিকার হন সোমালিয়ার রেফারি ওমর আবদুলকাদির আরতান। ২০২৬ বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেও দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি পাননি তিনি। ফলে ইতিহাস গড়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে আফ্রিকার বর্ষসেরা এই রেফারির।

আরতান বিশ্বকাপে দায়িত্ব পেলে তিনিই হতেন প্রথম সোমালি রেফারি, যিনি ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে ম্যাচ পরিচালনা করতেন। ২০১৮ সালে ফিফার তালিকাভুক্ত রেফারি হওয়া আরতান ইতোমধ্যেই আফ্রিকান ফুটবলে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন। তিনি ২০২৪ সালে প্রথম সোমালি হিসেবে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্স (আফকন)-এ ম্যাচ পরিচালনা করেন এবং ২০২৫ সালে আফ্রিকার সেরা রেফারির স্বীকৃতিও পান।

এক সাক্ষাৎকারে আরতান বলেন, "আমি কখনও ভাবিনি এমন কিছু ঘটবে। বিশ্বকাপে রেফারিং করা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন।"

তিনি আরও বলেন, ‘আমি সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং বৈধ ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলাম। তারপরও আমাকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।’

মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি, নিরাপত্তা যাচাইয়ে কিছু উদ্বেগের কারণে তাকে দেশে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। যদিও আরতান তার বিরুদ্ধে আনা যেকোনো ধরনের অভিযোগ বা সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করেছেন।

দেশে ফেরার পর হাজারো সমর্থকের অভ্যর্থনা পান এই রেফারি। হতাশা থাকলেও তিনি আশাবাদী থাকার বার্তা দিয়েছেন। আরতানের ভাষায়, ‘যা ঘটেছে তা দুর্ভাগ্যজনক। কিন্তু আমি তরুণদের বলতে চাই, স্বপ্ন দেখা বন্ধ করো না। কঠোর পরিশ্রম করলে সুযোগ আবার আসবে।’

বিশ্বকাপের আগে এই ঘটনা আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। অনেকের মতে, ফুটবলের সর্বজনীনতার বার্তা বহন করা টুর্নামেন্টে এমন ঘটনা বিশ্বকাপের অন্তর্ভুক্তিমূলক ভাবমূর্তির ওপরও প্রশ্ন তুলেছে।

টিটিটি/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow