দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্টকারীদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
যারা দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায়, তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, মানুষের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা থাকলে চলবে না। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। রোববার (৯ আগস্ট) চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে ‘গৃহ হস্তান্তর, অনুদান ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত না করতে বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকট নিয়ে বিরোধী দলের কোনো প্রস্তাবনা থাকলে তা সংসদে উপস্থাপন করুন। বিভ্রান্তি তৈরি করবেন না। দেশকে আর পিছিয়ে রাখা যাবে না, এগিয়ে যেতে হবে। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিগত স্বৈরাচারী আমলে দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত গুটিকয়েক ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, যা দেশের মানুষের স্বার্থের পক্ষে ছিল না। সেই অপরিকল্পিত ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে সরকার কাজ করছে। জ্
যারা দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায়, তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, মানুষের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা থাকলে চলবে না। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
রোববার (৯ আগস্ট) চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে ‘গৃহ হস্তান্তর, অনুদান ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত না করতে বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকট নিয়ে বিরোধী দলের কোনো প্রস্তাবনা থাকলে তা সংসদে উপস্থাপন করুন। বিভ্রান্তি তৈরি করবেন না। দেশকে আর পিছিয়ে রাখা যাবে না, এগিয়ে যেতে হবে। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিগত স্বৈরাচারী আমলে দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত গুটিকয়েক ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, যা দেশের মানুষের স্বার্থের পক্ষে ছিল না। সেই অপরিকল্পিত ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে সরকার কাজ করছে।
জ্বালানি খাত নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সময় প্রয়োজন। আগামী ১০ বছরে জ্বালানি খাতের পরিকল্পনা কী হবে, সেই প্রস্তাবনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাইলট প্রকল্প শেষে আগামী ১৬ আগস্ট থেকে ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।
What's Your Reaction?