দেড়শ রানের জুটি তামিম-সৌম্যর, হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর পথে বাংলাদেশ

হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে ব্যাট হাতে দারুণ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। শুধু তাই নয়, ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে শক্ত ভিত গড়ে তোলেন তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। ১৯ ওভার শেষ হওয়ার আগেই শতরান পেরিয়ে যায় সফরকারীরা। ২৭.৩ ওভারে পার হয় ১৫০ রনের গণ্ডি। যদিও ১৫১ রানের মাথায় গিয়ে উইকেট দিতে হয়েছে সৌম্য সরকারকে। ৮২ বরে ৬৯ রান করে আউট হন সৌম্য। ৩০.৪ ওভার শেষে ১ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৭৯ রান। তামিম ৮২ আর নাজমুল হোসেন শান্ত ব্যাটিং করছেন ১২ রানে। প্রথম দুই ওয়ানডেতে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভুগলেও সিরিজের শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই ইতিবাচক ক্রিকেট খেলছেন দুই ওপেনার। দুই ওপেনার তামিম ও সৌম্য, দুজনই এর মধ্যে ফিফটি তুলে নিয়েছেন। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও ওয়েসলি মাধেভেরের ৭৫ এবং ব্র্যাড ইভান্সের ঝোড়ো ৫০ রানের ইনিংসে লড়াই করার মতো সংগ্রহ পায় স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন শরিফুল ইসলাম। ১০ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নেন বাঁ-হাতি এই পেসার। তাসকিন আহমেদ ১০ ওভারে ৩২ রান খরচায় শিকার করেন ২ উইকেট। সমান দুটি

দেড়শ রানের জুটি তামিম-সৌম্যর, হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর পথে বাংলাদেশ

হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে ব্যাট হাতে দারুণ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। শুধু তাই নয়, ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে শক্ত ভিত গড়ে তোলেন তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। ১৯ ওভার শেষ হওয়ার আগেই শতরান পেরিয়ে যায় সফরকারীরা। ২৭.৩ ওভারে পার হয় ১৫০ রনের গণ্ডি।

যদিও ১৫১ রানের মাথায় গিয়ে উইকেট দিতে হয়েছে সৌম্য সরকারকে। ৮২ বরে ৬৯ রান করে আউট হন সৌম্য। ৩০.৪ ওভার শেষে ১ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৭৯ রান। তামিম ৮২ আর নাজমুল হোসেন শান্ত ব্যাটিং করছেন ১২ রানে।

প্রথম দুই ওয়ানডেতে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভুগলেও সিরিজের শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই ইতিবাচক ক্রিকেট খেলছেন দুই ওপেনার। দুই ওপেনার তামিম ও সৌম্য, দুজনই এর মধ্যে ফিফটি তুলে নিয়েছেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও ওয়েসলি মাধেভেরের ৭৫ এবং ব্র্যাড ইভান্সের ঝোড়ো ৫০ রানের ইনিংসে লড়াই করার মতো সংগ্রহ পায় স্বাগতিকরা।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন শরিফুল ইসলাম। ১০ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নেন বাঁ-হাতি এই পেসার। তাসকিন আহমেদ ১০ ওভারে ৩২ রান খরচায় শিকার করেন ২ উইকেট। সমান দুটি উইকেট নেন তানভীর ইসলামও। শেষ উইকেটটি তুলে নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

এসকেডি/আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow