দোকানঘর নির্মাণ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় একটি দোকানঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুরো এলাকায় দফায় দফায় অন্তত অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
শুক্রবার (২৯ মে) রাতে উপজেলার মূলফৎগঞ্জ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মূলফৎগঞ্জ এলাকায় পদ্মা নদীর তীরে একটি চটপটির দোকানঘর নির্মাণ করছিলেন রাসেল বেপারি নামের এক ব্যক্তি। এই নির্মাণকাজে বাধা দেন স্থানীয় যুবদল নেতা রাজিব ছৈয়ালের সমর্থকরা। অপরদিকে রাসেল বেপারির পক্ষে অবস্থান নেন কেদারপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাব্বি ঢালী। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই তীব্র উত্তেজনা চলছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে সেই বিরোধ চরমে পৌঁছায়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষই দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রামদা, লাঠিসোঁটাসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষ চলাকালে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতে কয়েক দফায় অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বিকট শব্দে একের পর এক ককটেল ফাটতে থাকায় মূলফৎগঞ্জ বাজার ও আশপাশের সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় একটি দোকানঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুরো এলাকায় দফায় দফায় অন্তত অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
শুক্রবার (২৯ মে) রাতে উপজেলার মূলফৎগঞ্জ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মূলফৎগঞ্জ এলাকায় পদ্মা নদীর তীরে একটি চটপটির দোকানঘর নির্মাণ করছিলেন রাসেল বেপারি নামের এক ব্যক্তি। এই নির্মাণকাজে বাধা দেন স্থানীয় যুবদল নেতা রাজিব ছৈয়ালের সমর্থকরা। অপরদিকে রাসেল বেপারির পক্ষে অবস্থান নেন কেদারপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাব্বি ঢালী। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই তীব্র উত্তেজনা চলছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে সেই বিরোধ চরমে পৌঁছায়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষই দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রামদা, লাঠিসোঁটাসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষ চলাকালে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতে কয়েক দফায় অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বিকট শব্দে একের পর এক ককটেল ফাটতে থাকায় মূলফৎগঞ্জ বাজার ও আশপাশের সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান।
খবর পেয়ে নড়িয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
নড়িয়া থানা পুলিশ জানায়, মূলত একটি চটপটির দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, একটি চটপটির দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে। আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।