দৌলতদিয়ায় যাত্রী-যানবাহনের চাপ বাড়লেও নেই ভোগান্তি
সব ফেরি সচল থাকায় ঈদযাত্রার প্রথম দিনেই রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে নির্বিঘ্নে পারাপার হচ্ছে যাত্রী ও যানবাহন। যাত্রী ও ছোট গাড়ির চাপ বাড়লেও ঘাট এলাকায় দেখা যায়নি দীর্ঘ যানজট বা ভোগান্তি। ফলে স্বস্তিতে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় ছুটছেন ঘরমুখো মানুষ।
সোমবার (২৫ মে) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দৌলতদিয়া ঘাট এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদযাত্রার প্রথম দিনে পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসা প্রত্যেকটি ফেরি যাত্রী ও যানবাহন বোঝায় করে দৌলতদিয়া ঘাটে এসে ভিড়ছে। প্রত্যেকটি ফেরিতে মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ও যাত্রীবাহী পরিবহনের চাপ রয়েছে।
এর আগে সকাল থেকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি ফেরিতে যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। যাত্রীরা দৌলতদিয়া ফেরি ও লঞ্চঘাটে নেমে যাত্রীবাহী পরিবহন, মাহেন্দ্র ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন বাহনে চড়ে যাচ্ছেন তাদের গন্তব্যে।
ফলে রাজবাড়ীর সড়কগুলোতে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। এর মধ্যে ছোট গাড়ি ও মোটরসাইকেলের চাপ বেশি। এদিকে যানবাহনে ভাড়া একটু বেশি নেওয়ার অভিযোগ থাকলেও সড়কে কোনো ভোগান্তি নেই বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা। ঘাট এল
সব ফেরি সচল থাকায় ঈদযাত্রার প্রথম দিনেই রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে নির্বিঘ্নে পারাপার হচ্ছে যাত্রী ও যানবাহন। যাত্রী ও ছোট গাড়ির চাপ বাড়লেও ঘাট এলাকায় দেখা যায়নি দীর্ঘ যানজট বা ভোগান্তি। ফলে স্বস্তিতে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় ছুটছেন ঘরমুখো মানুষ।
সোমবার (২৫ মে) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দৌলতদিয়া ঘাট এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদযাত্রার প্রথম দিনে পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসা প্রত্যেকটি ফেরি যাত্রী ও যানবাহন বোঝায় করে দৌলতদিয়া ঘাটে এসে ভিড়ছে। প্রত্যেকটি ফেরিতে মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ও যাত্রীবাহী পরিবহনের চাপ রয়েছে।
এর আগে সকাল থেকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি ফেরিতে যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। যাত্রীরা দৌলতদিয়া ফেরি ও লঞ্চঘাটে নেমে যাত্রীবাহী পরিবহন, মাহেন্দ্র ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন বাহনে চড়ে যাচ্ছেন তাদের গন্তব্যে।
ফলে রাজবাড়ীর সড়কগুলোতে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। এর মধ্যে ছোট গাড়ি ও মোটরসাইকেলের চাপ বেশি। এদিকে যানবাহনে ভাড়া একটু বেশি নেওয়ার অভিযোগ থাকলেও সড়কে কোনো ভোগান্তি নেই বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা। ঘাট এলাকায় বাড়তি ভিড় থাকলেও দীর্ঘ অপেক্ষা বা দুর্ভোগে পড়তে হয়নি যাত্রীদের। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঘাট এলাকায় কাজ করছে জেলা পুলিশ, নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) সূত্র জানায়, যানবাহনের চাপ সামাল দিতে একাধিক ফেরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। চাপ আরও বাড়লে অতিরিক্ত ফেরি চালুর ব্যবস্থাও রয়েছে। ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে নৌপুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন।
কাশেম নামের এক যাত্রী বলেন, ঢাকার গাবতলী থেকে লোকাল বাসে পাটুরিয়া এসেছি, ভাড়া খুব একটা বেশি নেইনি। ঈদযাত্রা মোটামুটি ভালোই ছিল, মহাসড়কে ও ঘাট এলাকায় জ্যাম খুব পেয়েছি। ঢাকার মিরপুর থেকে রাজবাড়ীর পাংশায় পরিবার নিয়ে ঈদ করতে বাড়িতে যাচ্ছেন সিরাজ আহম্মেদ।
তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ গতবারের চেয়ে এবারের ঈদ যাত্রা ভালো ছিল। পথে কোনো যানজট নেই, ভাড়াও খুব সহনীয় রয়েছে।
দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ওসি ত্রিনাথ সাহা বলেন, আমাদের নৌ পুলিশের দায়িত্বরত জায়গা হচ্ছে পন্টুন, লঞ্চ টার্মিনাল ও নৌ পথে। আমাদের নৌ পথে স্পিডবোট নিয়ে টহল টিম সার্বক্ষণিক কাজ করছে। ফেরি ঘাটের পন্টুন ও লঞ্চ টার্মিনালে নিরাপত্তার জন্য আমাদের একটি কন্ট্রোল রুম খোলা আছে। আমরা আমাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও সরকারের নির্দেশে আমরা দায়িত্ব পালন করছি। আমরা ঘাট এলাকায় জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি মানুষের নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত আছি।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাটের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বহরে থাকা ১৬টি ফেরির মধ্যে ১৫টি ফেরি চলাচল করছে। ৩, ৪ ও ৭নং ঘাট দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। তবে ঈদযাত্রার প্রথম দিনে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ তুলনামূলক কম।