দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপে নকআউটের টিকিট কাটল যারা
বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। ডি গ্রুপের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়েছে তারা। সেইসঙ্গে সহ-আয়োজক মেক্সিকোর পর দ্বিতীয় দল হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রও জায়গা করে নিলো বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ।
এই জয়ে বিশ্বকাপে পরপর দুটি ম্যাচ জয়ের কীর্তিও গড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৩০ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে পরপর দুই ম্যাচ জিতল মাউরিসিও পোচেত্তিনোর দল। ‘ডি’ গ্রুপে অবশ্য শীর্ষস্থান এখনো নিশ্চিত হয়নি তাদের। তুরস্ক–প্যারাগুয়ে ম্যাচ ড্র হলেই এই গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের।
সিয়াটল স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১১তম মিনিটেই এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। বালোগুনের দুর্দান্ত গতির আক্রমণের পর তার ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠিয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার বার্জেস। ফলে আত্মঘাতী গোলে ১-০ লিড নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ব্যবধান দ্বিগুণ করে তারা। ফ্রিম্যানের হেডে বল জালে জড়ালেও প্রথমে অফসাইডের কারণে গোল বাতিল করা হয়। পরে ভিএআর পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত বদলে গোল বৈধ ঘোষণা করা হয়। ফলে বিরতিতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্র।
ম্যাচের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়া কিছু
বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। ডি গ্রুপের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়েছে তারা। সেইসঙ্গে সহ-আয়োজক মেক্সিকোর পর দ্বিতীয় দল হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রও জায়গা করে নিলো বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ।
এই জয়ে বিশ্বকাপে পরপর দুটি ম্যাচ জয়ের কীর্তিও গড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৩০ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে পরপর দুই ম্যাচ জিতল মাউরিসিও পোচেত্তিনোর দল। ‘ডি’ গ্রুপে অবশ্য শীর্ষস্থান এখনো নিশ্চিত হয়নি তাদের। তুরস্ক–প্যারাগুয়ে ম্যাচ ড্র হলেই এই গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের।
সিয়াটল স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১১তম মিনিটেই এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। বালোগুনের দুর্দান্ত গতির আক্রমণের পর তার ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠিয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার বার্জেস। ফলে আত্মঘাতী গোলে ১-০ লিড নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ব্যবধান দ্বিগুণ করে তারা। ফ্রিম্যানের হেডে বল জালে জড়ালেও প্রথমে অফসাইডের কারণে গোল বাতিল করা হয়। পরে ভিএআর পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত বদলে গোল বৈধ ঘোষণা করা হয়। ফলে বিরতিতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্র।
ম্যাচের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়া কিছুটা আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করলেও ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণে বড় কোনো চাপ তৈরি করতে পারেনি তারা এবং শেষ পর্যন্ত তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা।
প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয় পেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।