দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমার সন্ধান

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি অবিস্ফোরিত বোমার সন্ধান পাওয়া গেছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লট উখিয়ারঘোনা ইছাখালী এলাকায় বোমাটি পাওয়া যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করে রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সন্দেহজনক বস্তুটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি অবিস্ফোরিত বোমা। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বস্তুটি দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় পড়ে ছিল এবং বিভিন্ন সময় স্থানীয়রা এর অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে বোমাটির ওজন প্রায় ৩০০ থেকে সাড়ে ৩৫০ কেজি। স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় ২০ থেকে ৩০ বছর আগে প্রথম এটি একটি পুকুরের পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়। সে সময় বোমাটির গায়ে পাখা ও প্রপেলার ছিল। পরে স্থানীয় কয়েকজন ওই পাখাগুলো ভেঙে ভাঙারি ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দেন। দীর্ঘদিন ধরে বোমাটি এলাকায় থাকলেও বিষয়টি তেমন আলোচনায় আসেনি। তবে সম্প্রতি স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করে। রামুর ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করা অ্যাডভোকেট শিরুপন বড়ুয়া জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি প্রশাসনকে বি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবিস্ফোরিত বোমার সন্ধান
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি অবিস্ফোরিত বোমার সন্ধান পাওয়া গেছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লট উখিয়ারঘোনা ইছাখালী এলাকায় বোমাটি পাওয়া যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করে রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সন্দেহজনক বস্তুটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি অবিস্ফোরিত বোমা। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বস্তুটি দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় পড়ে ছিল এবং বিভিন্ন সময় স্থানীয়রা এর অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে বোমাটির ওজন প্রায় ৩০০ থেকে সাড়ে ৩৫০ কেজি। স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় ২০ থেকে ৩০ বছর আগে প্রথম এটি একটি পুকুরের পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়। সে সময় বোমাটির গায়ে পাখা ও প্রপেলার ছিল। পরে স্থানীয় কয়েকজন ওই পাখাগুলো ভেঙে ভাঙারি ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দেন। দীর্ঘদিন ধরে বোমাটি এলাকায় থাকলেও বিষয়টি তেমন আলোচনায় আসেনি। তবে সম্প্রতি স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করে। রামুর ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করা অ্যাডভোকেট শিরুপন বড়ুয়া জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে রামু থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তুটি পরিদর্শন করে। পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যামুনিশন (অ্যামো) বিশেষজ্ঞ ক্যাপ্টেন জান্নাতুল ফেরদৌসের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে বোমাটির চারপাশ ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে, যাতে কেউ কাছে যেতে বা স্পর্শ করতে না পারে। সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল পরবর্তী করণীয় বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহলের পাশাপাশি কিছুটা উদ্বেগও দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow