দড়ি বেয়ে মসজিদে গিয়ে আজান দেওয়া সেই অন্ধ মুয়াজ্জিন মারা গেছেন
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নের বড়দেহা গ্রামে দড়ি ও বাঁশ বেয়ে মসজিদে গিয়ে আজান দেওয়া সেই বৃদ্ধ মুয়াজ্জিন মোহাম্মাদ আব্দুর রহমান আর নেই। রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন। আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ৯টায় বড়দেহা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এলাকাবাসী জানান, গ্রামের মসজিদে গিয়ে নিয়মিত আজান দেওয়া ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার জন্য নিজেই তৈরি করে নেন দৃষ্টিহীন আব্দুর রহমান মোল্লা। পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত বাঁশ বেঁধে ও দড়ি টেনে নেন তিনি। এরপর তিনি বাঁশ ও দড়ি ধরে মসজিদে যেতেন। মাইক চালিয়ে আজান দিতেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ইমামতিও করতেন তিনি। মুয়াজ্জিন আব্দুর রহমান মোল্লা নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নের বড়দেহা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় ১৯ বছর আগে এক দুর্ঘটনায় তিনি তার দুই চোখের দৃষ্টি হারান। তার পরিবারে রয়েছে দুই স্ত্রী ও ২৫ জন ছেলে-মেয়ে। তাদের মধ্যে ৬ সন্তান মারা গেছেন এবং বর্তমানে তার ১০ মেয়ে, ৯ ছেলে ও দুই স্ত্রী বেঁচে আছেন। অন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে বড় ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে ২০১১ সালে তিনি পবিত্র হজও পা
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নের বড়দেহা গ্রামে দড়ি ও বাঁশ বেয়ে মসজিদে গিয়ে আজান দেওয়া সেই বৃদ্ধ মুয়াজ্জিন মোহাম্মাদ আব্দুর রহমান আর নেই। রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন।
আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ৯টায় বড়দেহা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এলাকাবাসী জানান, গ্রামের মসজিদে গিয়ে নিয়মিত আজান দেওয়া ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার জন্য নিজেই তৈরি করে নেন দৃষ্টিহীন আব্দুর রহমান মোল্লা। পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত বাঁশ বেঁধে ও দড়ি টেনে নেন তিনি। এরপর তিনি বাঁশ ও দড়ি ধরে মসজিদে যেতেন। মাইক চালিয়ে আজান দিতেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ইমামতিও করতেন তিনি।
মুয়াজ্জিন আব্দুর রহমান মোল্লা নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নের বড়দেহা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় ১৯ বছর আগে এক দুর্ঘটনায় তিনি তার দুই চোখের দৃষ্টি হারান। তার পরিবারে রয়েছে দুই স্ত্রী ও ২৫ জন ছেলে-মেয়ে। তাদের মধ্যে ৬ সন্তান মারা গেছেন এবং বর্তমানে তার ১০ মেয়ে, ৯ ছেলে ও দুই স্ত্রী বেঁচে আছেন।
অন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে বড় ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে ২০১১ সালে তিনি পবিত্র হজও পালন করেন। হজ করে আসার পর নিজ গ্রামে নিজস্ব পাঁচ শতাংশ জমির ওপর তিনি তৈরি করেন একটি পাকা মসজিদ। ছেলে-নাতি, আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামের মানুষদের নিয়ে ওই মসজিদে নামাজ আদায় শুরু করেন। ২০১১ সালেই তিনি বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত বাঁশ ও দড়ি টেনে নেন যাতে সেটি বেয়ে বেয়ে নিয়মিত মসজিদে যাতায়াত করতে পারেন। তিনি তখন থেকেই ওই মসজিদের অবৈতনিক মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
রেজাউল করিম রেজা/এফএ/এমএস
What's Your Reaction?