ধর্মেন্দ্র পাচ্ছেন মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ

বলিউডের কিংবন্তি চিত্রতারকা প্রয়াত ধর্মেন্দ্র গত বছরের নভেম্বরের শেষের দিকে আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। চলে যাওয়া এ অভিনেতাকে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মান দিচ্ছে ভারত সরকার। এজন্য আবেগাপ্লুত তার পরিবারের সবাই। অভিনয়, রাজনীতি ও মানবকল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে গেছেন ধর্মেন্দ্র। এবার পদ্মবিভূষণ নিয়ে গর্ববোধ করার কথা জানিয়েছেন তার স্ত্রী, অভিনেত্রী, চিত্রনির্মাতা হেমা মালিনী।  অভিনেত্রী হেমা মালিনী সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘সিনেমা জগতে ধর্মেন্দ্রর অপরিসীম অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে মর্যাদাপূর্ণ পদ্মবিভূষণ পুরস্কারে ভূষিত করেছে সরকার, এজন্য আমি খুবই গর্বিত।’ ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস এ উপলক্ষে ধর্মেন্দ্রকে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মান দেওয়ার খবর ঘোষণা করা হয়। ধর্মেন্দ্রর মেয়ে এশা দেওল সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘বাবা মর্যাদাপূর্ণ পদ্মবিভূষণ পাওয়ায় আমরা সত্যিই খুশি।’ ছয় দশকের ক্যারিয়ারে ৩০০টির বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন ধর্মেন্দ্র। এরমধ্যে রয়েছে অনেক ব্যবসাসফল সিনেমা। ১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে’ দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল ধর্মেন্দ্রর। ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত ২০টির বেশি সিনেমায় অভিনয় করে ফেললেও বক্স অ

ধর্মেন্দ্র পাচ্ছেন মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ

বলিউডের কিংবন্তি চিত্রতারকা প্রয়াত ধর্মেন্দ্র গত বছরের নভেম্বরের শেষের দিকে আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। চলে যাওয়া এ অভিনেতাকে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মান দিচ্ছে ভারত সরকার। এজন্য আবেগাপ্লুত তার পরিবারের সবাই। অভিনয়, রাজনীতি ও মানবকল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে গেছেন ধর্মেন্দ্র। এবার পদ্মবিভূষণ নিয়ে গর্ববোধ করার কথা জানিয়েছেন তার স্ত্রী, অভিনেত্রী, চিত্রনির্মাতা হেমা মালিনী। 

অভিনেত্রী হেমা মালিনী সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘সিনেমা জগতে ধর্মেন্দ্রর অপরিসীম অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে মর্যাদাপূর্ণ পদ্মবিভূষণ পুরস্কারে ভূষিত করেছে সরকার, এজন্য আমি খুবই গর্বিত।’

ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস এ উপলক্ষে ধর্মেন্দ্রকে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মান দেওয়ার খবর ঘোষণা করা হয়। ধর্মেন্দ্রর মেয়ে এশা দেওল সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘বাবা মর্যাদাপূর্ণ পদ্মবিভূষণ পাওয়ায় আমরা সত্যিই খুশি।’

ছয় দশকের ক্যারিয়ারে ৩০০টির বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন ধর্মেন্দ্র। এরমধ্যে রয়েছে অনেক ব্যবসাসফল সিনেমা। ১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে’ দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল ধর্মেন্দ্রর। ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত ২০টির বেশি সিনেমায় অভিনয় করে ফেললেও বক্স অফিসে তেমন সাফল্যের মুখ দেখেননি। ১৯৬৬ সালে মুক্তি পায় ‘ফুল অউর পাত্থার’। ধর্মেন্দ্রের সঙ্গে এতে ছিলেন মীনা কুমারী। এটি বক্স অফিসে ভালো আয় করে। তারপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একে একে ‘সত্যকাম’, ‘শোলে’, ‘আঁখে’, ‘কর্তব্য’র মতো হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা কুড়ান তিনি। নিজের শেষ সিনেমা ‘ইক্কিস’ দেখে যেতে পারেননি বর্ষীয়ান এই অভিনেতা। গত বছরের ২৪ নভেম্বর মারা যান বলিউডের ‘হি-ম্যান’ধর্মেন্দ্র।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow