ধর্ষক-মাদকের পক্ষে তদবির করলে হাজতে পাঠানো হবে: আইনমন্ত্রী

ধর্ষক ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত কারও পক্ষে কেউ তদবির করলেও হাজতে পাঠানো হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। মন্ত্রী বলেন, যদি কোনো রাজনৈতিক নেতাও তদবির করেন, তবে সেই নেতাকেও একই মামলায় হাজতে পাঠানো হবে। আমার নিজের দলের নেতা হলেও রেহাই পাবেন না। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা কামালুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. কামরুজ্জামান সোহেল, মহেশপুর ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল রফিকুল আলম, পুলিশ সুপার মিয়া মো. আশিস বিন হাসান ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা। সরকারি কর্মকর্তাদের কর্মক্ষেত্রে অবহেলার সমালোচনা করে আইনমন্ত্রী বলেন,‌ ‌‘প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টায় অফিস করেন। কিন্তু জেলা ও উপজেলার অনেক সরকারি কর্মকর্তার মধ্যে এখনো অফিসে আসার অনীহা রয়েছে। কর্মকর্তারা যদি স্ব-স্ব স্থান থেকে নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন, তবে সমাজ বা রাষ্

ধর্ষক-মাদকের পক্ষে তদবির করলে হাজতে পাঠানো হবে: আইনমন্ত্রী

ধর্ষক ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত কারও পক্ষে কেউ তদবির করলেও হাজতে পাঠানো হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

মন্ত্রী বলেন, যদি কোনো রাজনৈতিক নেতাও তদবির করেন, তবে সেই নেতাকেও একই মামলায় হাজতে পাঠানো হবে। আমার নিজের দলের নেতা হলেও রেহাই পাবেন না।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা কামালুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. কামরুজ্জামান সোহেল, মহেশপুর ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল রফিকুল আলম, পুলিশ সুপার মিয়া মো. আশিস বিন হাসান ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা।

সরকারি কর্মকর্তাদের কর্মক্ষেত্রে অবহেলার সমালোচনা করে আইনমন্ত্রী বলেন,‌ ‌‘প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টায় অফিস করেন। কিন্তু জেলা ও উপজেলার অনেক সরকারি কর্মকর্তার মধ্যে এখনো অফিসে আসার অনীহা রয়েছে। কর্মকর্তারা যদি স্ব-স্ব স্থান থেকে নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন, তবে সমাজ বা রাষ্ট্রে কোনো সংকট থাকবে না।’

সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা (এফিসিয়েন্সি) বৃদ্ধি ও জনভোগান্তি কমানোর আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “এক ছাতার নিচে সব সেবা নিশ্চিত করতে সরকার ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালুর জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলে পৌনে চার কিলোমিটার রাস্তা করতে প্রথমে ৬০-৭০ কোটি টাকা এবং পরে তা বাড়িয়ে ২৮০ কোটি টাকার প্রস্তাব করা হয়েছিল। আমরা যাচাই-বাছাই করে দুর্নীতি পাওয়ায় একনেক বৈঠকে সেটি স্থগিত করেছি। রাষ্ট্রের টাকা বেশুমার লুটপাট ও বিদেশে বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা পাচার বন্ধে এখন প্রকল্পগুলোর বাস্তবতার মূল্যায়ন করা হচ্ছে।”

মাদক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ীরা এখন স্মার্ট হয়ে গেছে। তারা সীমান্তে মাদক পাচারে ড্রোন ব্যবহার করছে। আদালতে আইনি ফাঁকফোকর গলাতে তারা অল্প পরিমাণে (১০-১৫ পিস) মাদক বহন করে। ফলে বিচারকরা পরিমাণের দিকে তাকিয়ে সহজে জামিন দিয়ে দিচ্ছেন। এদের দমনে সরকার আরও কঠোর হবে।’

চলতি অর্থবছরের বাজেট প্রসঙ্গে মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘এই বাজেট অত্যন্ত চিন্তাশীল, সুদূরপ্রসারী, উচ্চাভিলাষী এবং জনকল্যাণের বাজেট। বিএনপি দেশ ও জনগণের রাজনীতি করে বলেই এই বাজেট নিয়ে রাজপথে কোনো মিছিল-মিটিং নেই।’

এম শাহাজান/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow