ধর্ষণের অভিযোগে যুবদল নেতা বহিষ্কার

টাঙ্গাইলে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে উপজেলা যুবদল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই নেতাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী তরুণী। শুক্রবার (১৫ মে) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বহিষ্কারের কথা জানানো হয়। ধর্ষণের অভিযোগে বহিষ্কার হওয়া দুলাল হোসেনকে (রাবন) গোপালপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও দলের নীতি, আদর্শ ও সংহতি পরিপন্থী নানা অনাচারের কারণে দুলাল হোসেনকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম সরকার (মুন্না) ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম ইতোমধ্যে এই বহিষ্কারের এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন। মামলার বিবরণ সূত্রে যানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণী (২২) গত ১ ফেব্রুয়ারি ও ১ এপ্রিল দুই দফা ধর্ষণের শিকার হন। প্রথম দিন ধর্ষণের দৃশ্য দুলালের সহযোগী উপজেলা ছাত্রদলের স্থগিত কমিটির সভাপতি রোমান আহমেদ মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন। এ ঘটনায় ৩ এপ্রিল ওই তরুণী গোপালপুর থানায় মামলা করতে যান, তবে পুলিশ মামলা নেয়নি ব

ধর্ষণের অভিযোগে যুবদল নেতা বহিষ্কার
টাঙ্গাইলে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে উপজেলা যুবদল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই নেতাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী তরুণী। শুক্রবার (১৫ মে) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বহিষ্কারের কথা জানানো হয়। ধর্ষণের অভিযোগে বহিষ্কার হওয়া দুলাল হোসেনকে (রাবন) গোপালপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও দলের নীতি, আদর্শ ও সংহতি পরিপন্থী নানা অনাচারের কারণে দুলাল হোসেনকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম সরকার (মুন্না) ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম ইতোমধ্যে এই বহিষ্কারের এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন। মামলার বিবরণ সূত্রে যানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণী (২২) গত ১ ফেব্রুয়ারি ও ১ এপ্রিল দুই দফা ধর্ষণের শিকার হন। প্রথম দিন ধর্ষণের দৃশ্য দুলালের সহযোগী উপজেলা ছাত্রদলের স্থগিত কমিটির সভাপতি রোমান আহমেদ মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন। এ ঘটনায় ৩ এপ্রিল ওই তরুণী গোপালপুর থানায় মামলা করতে যান, তবে পুলিশ মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ তরুণীর।  পরে ১৩ এপ্রিল টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ওই তরুণী নিজে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস অভিযোগটি এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার জন্য গোপালপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। পরে গোপালপুর থানা পুলিশ ১৫ এপ্রিল মামলাটি এফআইআর (রেকর্ড) ভুক্ত করে। এদিকে, ওই তরুণীর পরিবারের দুই সদস্য নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে অ্যাফিডেভিট করে ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করে।   তরুণীর অভিযোগ, আসামিরা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী। তারা তাকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার জন্য তিনি এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow