ধর্ষণ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি প্যারোলে মুক্ত হয়ে অংশ নিলেন মায়ের জানাজায়

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ধর্ষণ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আলতাফ হোসেন প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজা ও দাফনে অংশ নিয়েছেন।বুধবার বিকেলে তাকে সিরাজগঞ্জ কারাগার থেকে তিন ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। পরে তাকে উল্লাপাড়া উপজেলার পূর্বদেলুয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে আনা হয়। আলতাফ হোসেন পূর্বদেলুয়া গ্রামের মৃত ফজল প্রামানিক ও মৃত জায়দা বেগমের ছেলে।এর আগে বুধবার সকালে তার মা জায়দা বেগম নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল ইসলাম তিন ঘণ্টার প্যারোল মঞ্জুর করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আলতাফ হোসেন মায়ের জানাজা ও দাফন কার্যক্রমে অংশ নেন।উল্লাপাড়া মডেল থানার ওসি সাকিউল আযম জানান, জানাজা ও দাফন শেষে তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।উল্লেখ্য, ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সহিংসতার ঘটনায় উপজেলার পূর্বদেলুয়া গ্রামের অনিল চন্দ্র শীলের ১২ বছর বয়সী মেয়ে পূর্ণিমা রাণী শীল গণধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার পর তাকে একটি কচুক্ষেতে ফেলে রাখা হয়। এ ঘটনায় তার বাড়িঘর ভাঙচুর এবং পরিবারের সদস্যদের মারধরের অভিযোগ ওঠে, যা সে সময় দেশব্যাপী আলোচিত হয়।ঘ

ধর্ষণ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি প্যারোলে মুক্ত হয়ে অংশ নিলেন মায়ের জানাজায়

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ধর্ষণ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আলতাফ হোসেন প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজা ও দাফনে অংশ নিয়েছেন।

বুধবার বিকেলে তাকে সিরাজগঞ্জ কারাগার থেকে তিন ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। পরে তাকে উল্লাপাড়া উপজেলার পূর্বদেলুয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে আনা হয়। আলতাফ হোসেন পূর্বদেলুয়া গ্রামের মৃত ফজল প্রামানিক ও মৃত জায়দা বেগমের ছেলে।

এর আগে বুধবার সকালে তার মা জায়দা বেগম নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল ইসলাম তিন ঘণ্টার প্যারোল মঞ্জুর করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আলতাফ হোসেন মায়ের জানাজা ও দাফন কার্যক্রমে অংশ নেন।

উল্লাপাড়া মডেল থানার ওসি সাকিউল আযম জানান, জানাজা ও দাফন শেষে তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সহিংসতার ঘটনায় উপজেলার পূর্বদেলুয়া গ্রামের অনিল চন্দ্র শীলের ১২ বছর বয়সী মেয়ে পূর্ণিমা রাণী শীল গণধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার পর তাকে একটি কচুক্ষেতে ফেলে রাখা হয়। এ ঘটনায় তার বাড়িঘর ভাঙচুর এবং পরিবারের সদস্যদের মারধরের অভিযোগ ওঠে, যা সে সময় দেশব্যাপী আলোচিত হয়।

ঘটনার পর ২০০১ সালের ১০ অক্টোবর পূর্ণিমার বাবা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে ২০১১ সালের ৪ মে আদালত আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন। সেই মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে আলতাফ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে রয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow