ধাপে ধাপে ফাঁদে ফেলে কোটি টাকা আত্মসাৎ, ভয়ংকর চক্র

অনলাইন প্ল্যাটফরম টেলিগ্রামে টাস্ক সম্পন্ন করার নামে প্রতারণার মাধ্যমে এক কোটির বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়া একটি চক্রের আরও এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম সোহেল মিয়া (৪১)। শনিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যাত্রাবাড়ী থানার ধলপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। রোববার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী প্রতারক চক্রটি মোট চারটি পৃথক বিকাশ অ্যাকাউন্ট ও নয়টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ১ কোটি ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৩০৫ টাকা হাতিয়ে নেয়। এজাহারে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে একটি অজ্ঞাত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে প্রতারক চক্রের এক সদস্য তাকে অনলাইনে পার্টটাইম কাজের প্রস্তাব দেয়। বাসায় বসে অবসর সময়ে কাজ করে আয় করা যাবে- এমন আশ্বাসে তিনি রাজি হন। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী একটি অনলাইন সাইটে ওয়ালেট খুলে টাস্ক সম্পন্ন করে প্রথম দফায় তিনি ১৫০ টাকা উপার্জন করেন। পরবর্তীতে ২৮টি টাস্ক সম্পন্ন করলে ৩৮ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১৪টি টাস্ক শেষ করে তিনি ২ হাজ

ধাপে ধাপে ফাঁদে ফেলে কোটি টাকা আত্মসাৎ, ভয়ংকর চক্র

অনলাইন প্ল্যাটফরম টেলিগ্রামে টাস্ক সম্পন্ন করার নামে প্রতারণার মাধ্যমে এক কোটির বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়া একটি চক্রের আরও এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম সোহেল মিয়া (৪১)। শনিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যাত্রাবাড়ী থানার ধলপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

রোববার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী প্রতারক চক্রটি মোট চারটি পৃথক বিকাশ অ্যাকাউন্ট ও নয়টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ১ কোটি ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৩০৫ টাকা হাতিয়ে নেয়।

এজাহারে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে একটি অজ্ঞাত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে প্রতারক চক্রের এক সদস্য তাকে অনলাইনে পার্টটাইম কাজের প্রস্তাব দেয়। বাসায় বসে অবসর সময়ে কাজ করে আয় করা যাবে- এমন আশ্বাসে তিনি রাজি হন। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী একটি অনলাইন সাইটে ওয়ালেট খুলে টাস্ক সম্পন্ন করে প্রথম দফায় তিনি ১৫০ টাকা উপার্জন করেন।

পরবর্তীতে ২৮টি টাস্ক সম্পন্ন করলে ৩৮ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১৪টি টাস্ক শেষ করে তিনি ২ হাজার ১০০ টাকা আয় করেন। এরপর প্রতারক চক্র আরও প্রলোভন দেখিয়ে জানায়, ২ হাজার টাকা বিনিয়োগ করলে বিনিময়ে ২ হাজার ৮০০ টাকা পাওয়া যাবে। ওই টাস্ক সম্পন্ন করার পর ভুক্তভোগীর ওয়ালেটে অর্থ জমা হয়েছে দেখালেও তিনি তা উত্তোলন করতে ব্যর্থ হন।

বিষয়টি জানালে প্রতারক চক্র তাকে একটি বিকাশ অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে বলে এবং দাবি করে, টাকা না পাঠালে জমাকৃত অর্থ উত্তোলন করা যাবে না। এভাবে ধাপে ধাপে প্রলোভনের মাধ্যমে চারটি বিকাশ ও নয়টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে চক্রটি।

সিআইডি জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow