‘ধৈর্য দাও খোদা’, জামায়াত এমপির ফেসবুক স্ট্যাটাস

সংসদ মসজিদে অজু করার পানি নেই বলে অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা-১৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম (ব্যারিস্টার আরমান)। রোববার (২৯ মার্চ) দুপুর ১টা ৮ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এমন অভিযোগের কথা বলেন। স্ট্যাটাসে আহমাদ বিন কাসেম বলেন, ‘সংসদ মসজিদে অজু করতে গিয়ে দেখি পানি নেই। এখন বুঝতে পারছি— আমার ধৈর্যই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে! ধৈর্য দাও খোদা!!’   উল্লেখ্য, ঈদুল ফিতরের বিরতি শেষে আজ রোববার (২৯ মার্চ) থেকে পুনরায় শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণের পর গত ১২ মার্চ শুরু হয় এই অধিবেশন। এরপর রোজা ও ঈদুল ফিতরের জন্য ১৫ মার্চ অধিবেশন আজকের দিন পর্যন্ত মূলতবি করা হয়। জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এ প্রথম অধিবেশন চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বিকেল ৩টায় এ অধিবেশনের বৈঠক বসবে। ১৪ মার্চ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অধিবেশনের তৃতীয় দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে ৫০ ঘণ্টা আলোচনা হবে। সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্

‘ধৈর্য দাও খোদা’, জামায়াত এমপির ফেসবুক স্ট্যাটাস

সংসদ মসজিদে অজু করার পানি নেই বলে অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা-১৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম (ব্যারিস্টার আরমান)। রোববার (২৯ মার্চ) দুপুর ১টা ৮ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এমন অভিযোগের কথা বলেন।

স্ট্যাটাসে আহমাদ বিন কাসেম বলেন, ‘সংসদ মসজিদে অজু করতে গিয়ে দেখি পানি নেই। এখন বুঝতে পারছি— আমার ধৈর্যই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে! ধৈর্য দাও খোদা!!’

 

উল্লেখ্য, ঈদুল ফিতরের বিরতি শেষে আজ রোববার (২৯ মার্চ) থেকে পুনরায় শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণের পর গত ১২ মার্চ শুরু হয় এই অধিবেশন। এরপর রোজা ও ঈদুল ফিতরের জন্য ১৫ মার্চ অধিবেশন আজকের দিন পর্যন্ত মূলতবি করা হয়।

জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এ প্রথম অধিবেশন চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বিকেল ৩টায় এ অধিবেশনের বৈঠক বসবে। ১৪ মার্চ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অধিবেশনের তৃতীয় দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে ৫০ ঘণ্টা আলোচনা হবে। সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যরা এতে অংশ নেবেন।

এছাড়া মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব ও জাতীয় জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ উত্থাপন ও সেই নোটিশের ওপর আলোচনার আলোচনার কর্মসূচি রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow