নঈম নিজাম-বোরহান কবীরসহ ৩ সাংবাদিকের মামলা বাতিল
দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার সাবেক সম্পাদক নঈম নিজাম, প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী ও বাংলা ইনসাইডার পত্রিকার প্রধান সম্পাদক সৈয়দ বোরহান কবীরের বিরুদ্ধে করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা বাতিল করে তাদের অব্যাহতি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ সাইদুর রহমান গাজী এ আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. জুয়েল মিয়া জানান, তাদের বিরুদ্ধে যে ধারায় মামলা করা হয়েছিল, সেই সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ আইনের ধারাগুলো অন্তর্বর্তী সরকার বাতিল করেছে। এজন্য আদালত তাদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা বাতিল করে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন।
ময়নাল হোসেন চৌধুরীর পক্ষে তার আইনজীবী এনামুল হকও একই কারণ দেখিয়ে মামলা বাতিলের আবেদন করেছিলেন।
নঈম নিজামসহ সাত জনের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন মামলাটি করেছিলেন। ট্রাইব্যুনাল ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টকে (সিআইডি) অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
মামলায় ২৭ পৃষ্ঠার আর্জিতে বলা হয়, ২০২১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় ‘নুসরাতকে দিয়ে বিচ্ছু সাম
দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার সাবেক সম্পাদক নঈম নিজাম, প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী ও বাংলা ইনসাইডার পত্রিকার প্রধান সম্পাদক সৈয়দ বোরহান কবীরের বিরুদ্ধে করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা বাতিল করে তাদের অব্যাহতি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ সাইদুর রহমান গাজী এ আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. জুয়েল মিয়া জানান, তাদের বিরুদ্ধে যে ধারায় মামলা করা হয়েছিল, সেই সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ আইনের ধারাগুলো অন্তর্বর্তী সরকার বাতিল করেছে। এজন্য আদালত তাদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা বাতিল করে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন।
ময়নাল হোসেন চৌধুরীর পক্ষে তার আইনজীবী এনামুল হকও একই কারণ দেখিয়ে মামলা বাতিলের আবেদন করেছিলেন।
নঈম নিজামসহ সাত জনের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন মামলাটি করেছিলেন। ট্রাইব্যুনাল ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টকে (সিআইডি) অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
মামলায় ২৭ পৃষ্ঠার আর্জিতে বলা হয়, ২০২১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় ‘নুসরাতকে দিয়ে বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের ফের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত করা হয়। তা অনলাইনেও দেওয়া হয়।
সেখানে বলা হয়, ‘নুসরাতের আইনজীবী হলেন ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে ব্যারিস্টার এম সারোয়ারের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি রাষ্ট্রবিরোধী গুজব ও অপপ্রচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং নাশকতার একাধিক মামলা রয়েছে। মুনিয়া ইস্যু নিয়ে তারা এর আগেও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিলেন।’
মামলায় সারোয়ার বলেছেন, তিনি নুসরাতের আইনজীবী নন। নুসরাতের মামলার নারাজি আবেদনের শুনানিতে অংশ নিয়েছিলেন। ৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ইনসাইডার পত্রিকায় ‘কে এই সারোয়ার’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের কথাও মামলায় উল্লেখ করা হয়।
পাশাপাশি সারোয়ার বলেন, ফেইসবুক পেইজ ভাইরাল প্রতিদিনে তাকে নিয়ে ‘উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে’ লেখা হচ্ছে।