নকল করতে গিয়ে ধরা, পরীক্ষার্থীর হামলায় চার স্টাফ হাসপাতালে
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে বহিষ্কৃত এক পরীক্ষার্থীর হামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন স্টাফ আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১০৫ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, বহিষ্কারের পর পরীক্ষার্থীকে কন্ট্রোল রুমে নেওয়ার সময় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে উপস্থিত স্টাফদের ওপর হামলা চালান। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীর নাম আহনাফ আহমেদ (রোল : ১৯৯৮৬০)। আহতরা হলেন- সিকিউরিটি শাখার মো. মনিরুজ্জামান, রাসেল হোসেন, উজ্জ্বল এবং লোক প্রশাসন বিভাগের অফিস সহায়ক সুজিত বালা। তাদেরকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত নিরাপত্তাকর্মী মো. মনিরুজ্জামান জানান, বহিষ্কারের পর ওই পরীক্ষার্থী প্রথমে অন্যান্য স্টাফ ও পরীক্ষার্থীদের মারধর করে পালানোর চেষ্টা করে। বাধা দিতে গেলে তাকেও আঘাত করা হয়, এতে তার নাক, মুখ ও কান রক্তাক্ত হয়। বরিশাল মহানগরের বন্দর থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে বহিষ্কার
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে বহিষ্কৃত এক পরীক্ষার্থীর হামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন স্টাফ আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১০৫ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বহিষ্কারের পর পরীক্ষার্থীকে কন্ট্রোল রুমে নেওয়ার সময় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে উপস্থিত স্টাফদের ওপর হামলা চালান। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীর নাম আহনাফ আহমেদ (রোল : ১৯৯৮৬০)।
আহতরা হলেন- সিকিউরিটি শাখার মো. মনিরুজ্জামান, রাসেল হোসেন, উজ্জ্বল এবং লোক প্রশাসন বিভাগের অফিস সহায়ক সুজিত বালা। তাদেরকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত নিরাপত্তাকর্মী মো. মনিরুজ্জামান জানান, বহিষ্কারের পর ওই পরীক্ষার্থী প্রথমে অন্যান্য স্টাফ ও পরীক্ষার্থীদের মারধর করে পালানোর চেষ্টা করে। বাধা দিতে গেলে তাকেও আঘাত করা হয়, এতে তার নাক, মুখ ও কান রক্তাক্ত হয়।
বরিশাল মহানগরের বন্দর থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে বহিষ্কার করা হয়। পরে ওই পরীক্ষার্থী চারজন স্টাফকে মারধর করে। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাহাত হোসাইন ফয়সাল বলেন, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কারের পর অভিযুক্ত পরীক্ষার্থী নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। বর্তমানে আহতদের চিকিৎসা চলছে এবং ঘটনার পরপরই আমরা তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছি। পুলিশ যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।
What's Your Reaction?