‘নগরবাসী সচেতন না হলে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়’

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরবাসীর সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, নগরবাসী সচেতন না হলে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এই শহরকে ভালোবাসতে হবে এবং পরিচ্ছন্ন রাখতে নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নগরীর বাকলিয়া এলাকায় ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ এর আওতায় নালা-খাল পরিষ্কার ও মাটি উত্তোলন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।  এ সময় তিনি সরেজমিনে কাজ তদারকি করেন এবং নিজ হাতে নালা থেকে ময়লা উত্তোলন করে কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরেন। মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, গত বছর আমরা চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পেরেছি। এবারও বিভিন্ন সেবা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে সম্মিলিতভাবে কাজ চলছে। তবে দেখা যাচ্ছে, বারবার সচেতন করার পরও অনেকে নালা-খালে বর্জ্য ফেলছেন। গত তিন দিন বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছি, নালাগুলো ময়লায় কী পরিমাণ ভরাট হয়ে আছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে দক্ষিণ বাকলিয়া, পশ্চিম বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, বহদ্দারহাট ও মুরাদপুরসহ নিচু এলাকার মানুষ যাতে পানিবন্দি না থাকে, সে লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে জানান মে

‘নগরবাসী সচেতন না হলে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়’

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরবাসীর সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, নগরবাসী সচেতন না হলে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এই শহরকে ভালোবাসতে হবে এবং পরিচ্ছন্ন রাখতে নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নগরীর বাকলিয়া এলাকায় ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ এর আওতায় নালা-খাল পরিষ্কার ও মাটি উত্তোলন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন। 

এ সময় তিনি সরেজমিনে কাজ তদারকি করেন এবং নিজ হাতে নালা থেকে ময়লা উত্তোলন করে কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, গত বছর আমরা চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পেরেছি। এবারও বিভিন্ন সেবা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে সম্মিলিতভাবে কাজ চলছে। তবে দেখা যাচ্ছে, বারবার সচেতন করার পরও অনেকে নালা-খালে বর্জ্য ফেলছেন। গত তিন দিন বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছি, নালাগুলো ময়লায় কী পরিমাণ ভরাট হয়ে আছে।

আসন্ন বর্ষা মৌসুমে দক্ষিণ বাকলিয়া, পশ্চিম বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, বহদ্দারহাট ও মুরাদপুরসহ নিচু এলাকার মানুষ যাতে পানিবন্দি না থাকে, সে লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে জানান মেয়র। 

নালা-খালে ময়লা ফেলা বা অবৈধভাবে দখল করে ড্রেন সংকুচিত করার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, যারা ড্রেনের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চসিকের পক্ষ থেকে প্রায় ৬ হাজার ডাস্টবিন সরবরাহের তথ্য জানিয়ে মেয়র আক্ষেপ করে বলেন, অনেক ক্ষেত্রে এসব ডাস্টবিন চুরি হয়ে যাচ্ছে বা যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে না।

তিনি দোকানদারদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তাদের দোকানের সামনে কেউ ময়লা না ফেলে বা হকার বসে পরিবেশ নষ্ট না করে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow