নতুন বছরে সুস্থ থাকার বিশেষ পরামর্শ
২০২৬ সালে পা রাখার পর পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা খাদ্যাভ্যাসের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, শরীরকে সুস্থ রাখতে কোনো সাময়িক ও কঠোর ডায়েট নয়, বরং সহজ এবং টেকসই অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি যা হজম শক্তি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে উন্নত করবে। ছোট ছোট কিন্তু নিয়মিত কিছু পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সুবিধা বয়ে আনে যা দৈনন্দিন জীবনে সহজে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব। দিনের শুরু করার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা হালকা গরম পানি পানের পরামর্শ দিয়েছেন। হজম প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে এর সঙ্গে মৌরি, ভেজানো কিশমিশ বা লবণ-চিনিহীন লেবুর পানি যোগ করা যেতে পারে। এছাড়া পেটের স্বাস্থ্যের জন্য কম তেলে রান্না করা সবজি, দই এবং দেশীয় মশলা খাওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখে। সুস্থ থাকতে চিনি এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে ফলমূল বেছে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। খাবার খাওয়ার সময় মনোযোগী হওয়া বা ‘মাইন্ডফুল ইটিং’ স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা খাবার খাওয়ার সময় মোবাইল ফোন বা টেলিভিশন থেকে দূরে থাকার এবং ধীরে সুস্থে চিবিয়ে খাওয়ার পরামর্শ
২০২৬ সালে পা রাখার পর পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা খাদ্যাভ্যাসের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তাদের মতে, শরীরকে সুস্থ রাখতে কোনো সাময়িক ও কঠোর ডায়েট নয়, বরং সহজ এবং টেকসই অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি যা হজম শক্তি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে উন্নত করবে। ছোট ছোট কিন্তু নিয়মিত কিছু পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সুবিধা বয়ে আনে যা দৈনন্দিন জীবনে সহজে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব।
দিনের শুরু করার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা হালকা গরম পানি পানের পরামর্শ দিয়েছেন। হজম প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে এর সঙ্গে মৌরি, ভেজানো কিশমিশ বা লবণ-চিনিহীন লেবুর পানি যোগ করা যেতে পারে।
এছাড়া পেটের স্বাস্থ্যের জন্য কম তেলে রান্না করা সবজি, দই এবং দেশীয় মশলা খাওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখে। সুস্থ থাকতে চিনি এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে ফলমূল বেছে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
খাবার খাওয়ার সময় মনোযোগী হওয়া বা ‘মাইন্ডফুল ইটিং’ স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা খাবার খাওয়ার সময় মোবাইল ফোন বা টেলিভিশন থেকে দূরে থাকার এবং ধীরে সুস্থে চিবিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি বাইরের খাবারের চেয়ে বাড়িতে তৈরি খাবারে অভ্যস্ত হওয়া ভালো। কারণ এতে তেল ও লবণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। পেট ভরে খাওয়ার চেয়ে কিছুটা কম খাওয়া বা ‘পোরশন কন্ট্রোল’ করা অতিরিক্ত ওজন কমানোর অন্যতম সহজ উপায়।
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন রঙের রঙিন ফল ও সবজি রাখা উচিত। পাশাপাশি মৌসুমি এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত খাবারের পুষ্টিগুণ বেশি থাকে বলে এগুলো শরীরের প্রাকৃতিক চাহিদার সাথে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারে।
মনে রাখতে হবে, যেকোনো কঠোর বিধিনিষেধের চেয়ে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা বেশি কার্যকর। পুষ্টিবিদরা সাম্প্রতিক সময়ে জনপ্রিয় হওয়া ‘ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং’ বা সবিরাম উপবাসের বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তারা জানিয়েছেন, এ ধরনের কঠোর খাদ্যাভ্যাস হাড়ের স্বাস্থ্য এবং মেটাবলিজমের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, তাই ভারসাম্যপূর্ণ খাবারই সুস্বাস্থ্যের মূল চাবিকাঠি।
What's Your Reaction?