নতুন রূপে আসছে টয়োটা হাইলাক্স, মিলতে পারে হাইব্রিড ইঞ্জিন

শুধু বাণিজ্যিক কাজে নয়, অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের কাছেও টয়োটা হাইলাক্স একটি পরিচিত নাম। কঠিন রাস্তা থেকে দীর্ঘ ভ্রমণ সব ক্ষেত্রেই নির্ভরযোগ্য এই পিকআপ ট্রাক এবার পেতে চলেছে বড় আপডেট। নতুন ডিজাইন, আধুনিক কেবিন এবং উন্নত সেফটি ফিচার নিয়ে ভারতের বাজারে শিগগিরই আত্মপ্রকাশ করতে পারে নতুন টয়োটা হাইলাক্স। সম্প্রতি টেস্টিংয়ের সময় গাড়িটির ঝলক মিলতেই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। গত বছরের নভেম্বরে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে টয়োটা হাইলাক্সের নতুন সংস্করণ উন্মোচন করেছিল টয়োটা। প্রায় পাঁচ দশক ধরে বিশ্ববাজারে সফল এই মডেলে একাধিক আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন পাওয়ারট্রেন যুক্ত করেছে সংস্থাটি। আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেল, হাইব্রিড, ইলেকট্রিক এবং হাইড্রোজেনচালিত সংস্করণও উপলব্ধ রয়েছে। নতুন হাইলাক্সের বাহ্যিক ডিজাইনে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। সামনে নতুন এলইডি হেডল্যাম্প, সংশোধিত গ্রিল এবং আপডেটেড বডি প্যানেল ব্যবহার করা হতে পারে। পাশাপাশি কার্গো বেডে ওঠানামা সহজ করতে পেছনের দিকে নতুন ফুটস্টেপ যুক্ত করার সম্ভাবনাও রয়েছে। আরও পড়ুন জ্বালানি সংকট: বাইকের তেলের খরচ কমাবেন যেভাবে কেবিনেও আসতে পারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্

নতুন রূপে আসছে টয়োটা হাইলাক্স, মিলতে পারে হাইব্রিড ইঞ্জিন

শুধু বাণিজ্যিক কাজে নয়, অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের কাছেও টয়োটা হাইলাক্স একটি পরিচিত নাম। কঠিন রাস্তা থেকে দীর্ঘ ভ্রমণ সব ক্ষেত্রেই নির্ভরযোগ্য এই পিকআপ ট্রাক এবার পেতে চলেছে বড় আপডেট। নতুন ডিজাইন, আধুনিক কেবিন এবং উন্নত সেফটি ফিচার নিয়ে ভারতের বাজারে শিগগিরই আত্মপ্রকাশ করতে পারে নতুন টয়োটা হাইলাক্স। সম্প্রতি টেস্টিংয়ের সময় গাড়িটির ঝলক মিলতেই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

গত বছরের নভেম্বরে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে টয়োটা হাইলাক্সের নতুন সংস্করণ উন্মোচন করেছিল টয়োটা। প্রায় পাঁচ দশক ধরে বিশ্ববাজারে সফল এই মডেলে একাধিক আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন পাওয়ারট্রেন যুক্ত করেছে সংস্থাটি। আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেল, হাইব্রিড, ইলেকট্রিক এবং হাইড্রোজেনচালিত সংস্করণও উপলব্ধ রয়েছে।

নতুন হাইলাক্সের বাহ্যিক ডিজাইনে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। সামনে নতুন এলইডি হেডল্যাম্প, সংশোধিত গ্রিল এবং আপডেটেড বডি প্যানেল ব্যবহার করা হতে পারে। পাশাপাশি কার্গো বেডে ওঠানামা সহজ করতে পেছনের দিকে নতুন ফুটস্টেপ যুক্ত করার সম্ভাবনাও রয়েছে।

কেবিনেও আসতে পারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। স্টিয়ারিংয়ে ইলেকট্রিক পাওয়ার অ্যাসিস্ট সিস্টেমের পাশাপাশি ১২.৩ ইঞ্চির ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার এবং একই মাপের নতুন টাচস্ক্রিন ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেম যুক্ত হতে পারে। ফলে প্রযুক্তিগত দিক থেকে আগের তুলনায় অনেক বেশি আধুনিক হবে নতুন হিলাক্স।

যদিও আন্তর্জাতিক বাজারে হাইলাক্সের বৈদ্যুতিক সংস্করণ এরই মধ্যেই বিক্রি হচ্ছে, তবে প্রাথমিকভাবে ভারতের বাজারে সেই মডেল আনার পরিকল্পনা নেই বলেই জানা গেছে। পরিবর্তে সংস্থাটি হাইব্রিড সংস্করণের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

সম্ভাব্য হাইব্রিড মডেলে থাকতে পারে ২.৮ লিটার টার্বোচার্জড ডিজেল ইঞ্জিন, যা সর্বোচ্চ ২০৪ বিএইচপি শক্তি এবং ৫০০ এনএম টর্ক উৎপন্ন করতে সক্ষম। এর সঙ্গে ৬-স্পিড অটোমেটিক গিয়ারবক্স যুক্ত থাকতে পারে। এছাড়া ২.৭ লিটার পেট্রোল এবং ২.৮ লিটার ডিজেল ভ্যারিয়েন্টও বাজারে পাওয়া যেতে পারে।

নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও নতুন হাইলাক্সে একাধিক উন্নত ফিচার যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সম্ভাব্য সেফটি প্যাকেজে থাকতে পারে ব্লাইন্ড স্পট মনিটরিং, প্রোঅ্যাকটিভ ড্রাইভিং অ্যাসিস্ট, সেফ এক্সিট অ্যাসিস্ট এবং ইমার্জেন্সি ড্রাইভিং স্টপের মতো আধুনিক প্রযুক্তি।

টয়োটা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চের তারিখ ঘোষণা করেনি। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদনের দাবি, ২০২৬ সালের শেষের দিকেই ভারতের বাজারে নতুন হাইলাক্স আত্মপ্রকাশ করতে পারে। এর প্রাথমিক মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা থেকে শুরু হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow