নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে যুবক খুন, দুই ভাইকে বেঁধে রেখে হামলা
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় ঘোড়াউত্রা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় সাইদুর রহমান (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় তার দুই ভাইকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে রেখে যায় হামলাকারীরা। বুধবার (২৭ মে) রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে উপজেলার মুশুরিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাইদুর রহমান উপজেলার ধলাই গোপদিঘী এলাকার ফুল মিয়ার ছেলে। আহত দুই ভাই হলেন আনিছুর (২৭) ও আতাউর। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে তিন ভাই ঘোড়াউত্রা নদীতে রিংজাল দিয়ে মাছ ধরছিলেন। এ সময় মুখোশ পরা অজ্ঞাত ৪ জন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র বল্লম ও দা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা প্রথমে আনিছুর ও আতাউরকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে সাইদুর রহমানকে নদীর পানিতে ফেলে দিয়ে বল্লম দিয়ে আঘাত করে। একপর্যায়ে সাইদুর পানিতে ডুবে গেলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ-আল-শাফী জানান, রাত সাড়ে চারটার দিকে সাইদুর রহমানকে হাসপাতালে আনা হয়। তার ডান পাশে ফুসফ
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় ঘোড়াউত্রা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় সাইদুর রহমান (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় তার দুই ভাইকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে রেখে যায় হামলাকারীরা।
বুধবার (২৭ মে) রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে উপজেলার মুশুরিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাইদুর রহমান উপজেলার ধলাই গোপদিঘী এলাকার ফুল মিয়ার ছেলে। আহত দুই ভাই হলেন আনিছুর (২৭) ও আতাউর।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে তিন ভাই ঘোড়াউত্রা নদীতে রিংজাল দিয়ে মাছ ধরছিলেন। এ সময় মুখোশ পরা অজ্ঞাত ৪ জন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র বল্লম ও দা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা প্রথমে আনিছুর ও আতাউরকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে সাইদুর রহমানকে নদীর পানিতে ফেলে দিয়ে বল্লম দিয়ে আঘাত করে।
একপর্যায়ে সাইদুর পানিতে ডুবে গেলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ-আল-শাফী জানান, রাত সাড়ে চারটার দিকে সাইদুর রহমানকে হাসপাতালে আনা হয়। তার ডান পাশে ফুসফুসের উপরের অংশে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান তিনি। পরে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়।
এ বিষয়ে মিঠামইন থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লিয়াকত আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির কাজ শুরু করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে।
What's Your Reaction?