নবজাতককে কোলে নিয়েই পরীক্ষায় বসলেন দুই নারী
মাতৃত্ব ও শিক্ষার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন লালমনিরহাটের দুই নারী শিক্ষার্থী। নবজাতক সন্তানকে কোলে নিয়েই ফাইনাল পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তারা ছড়িয়ে দিয়েছেন অনুপ্রেরণার আলো। সম্প্রতি লালমনিরহাট সরকারি কলেজের মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী শর্মি খাতুন মাত্র ৫ দিনের নবজাতক সন্তানকে নিয়ে শহরের মজিদা খাতুন সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন। একই কেন্দ্রে আরেক শিক্ষার্থী ফাতেমা খাতুনও তার ১১ দিনের নবজাতককে সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন। পরীক্ষা কেন্দ্রে দেখা যায়, কোলে নবজাতক সন্তান নিয়েই তারা উত্তরপত্র লিখছেন। এমন দৃশ্য উপস্থিত অন্যান্য পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে গভীর আবেগ ও অনুপ্রেরণার সৃষ্টি করেছে। কলেজের প্রভাষক টিটু চন্দ্র দাস বলেন, ‘সিজারের পর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সত্যিই প্রশংসনীয়। এটি নারী শিক্ষার জন্য একটি অনন্য উদাহরণ। চাইলে তারা পরের বছর পরীক্ষা দিতে পারতেন, কিন্তু তারা থেমে থাকেননি।’ তিনি আরও বলেন, ‘তাদের এই দৃঢ়তা অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। সংসার ও পড়াশোনা একসঙ্গে সামলানোর বাস্তব শিক্ষা তাদের কাছ থেকেই পাওয়া যায়।’ শিক্ষার্থী শর্মি ও
মাতৃত্ব ও শিক্ষার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন লালমনিরহাটের দুই নারী শিক্ষার্থী। নবজাতক সন্তানকে কোলে নিয়েই ফাইনাল পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তারা ছড়িয়ে দিয়েছেন অনুপ্রেরণার আলো।
সম্প্রতি লালমনিরহাট সরকারি কলেজের মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী শর্মি খাতুন মাত্র ৫ দিনের নবজাতক সন্তানকে নিয়ে শহরের মজিদা খাতুন সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন।
একই কেন্দ্রে আরেক শিক্ষার্থী ফাতেমা খাতুনও তার ১১ দিনের নবজাতককে সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন।
পরীক্ষা কেন্দ্রে দেখা যায়, কোলে নবজাতক সন্তান নিয়েই তারা উত্তরপত্র লিখছেন। এমন দৃশ্য উপস্থিত অন্যান্য পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে গভীর আবেগ ও অনুপ্রেরণার সৃষ্টি করেছে।
কলেজের প্রভাষক টিটু চন্দ্র দাস বলেন, ‘সিজারের পর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সত্যিই প্রশংসনীয়। এটি নারী শিক্ষার জন্য একটি অনন্য উদাহরণ। চাইলে তারা পরের বছর পরীক্ষা দিতে পারতেন, কিন্তু তারা থেমে থাকেননি।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাদের এই দৃঢ়তা অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। সংসার ও পড়াশোনা একসঙ্গে সামলানোর বাস্তব শিক্ষা তাদের কাছ থেকেই পাওয়া যায়।’
শিক্ষার্থী শর্মি ও ফাতেমা জানান, মাতৃত্ব তাদের পথ থামাতে পারেনি। তারা বলেন, ‘আমরা পড়ালেখা চালিয়ে যাব, পাশাপাশি সংসারও সামলাব।’
What's Your Reaction?