নবীগঞ্জে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নারী শিশুসহ আহত শতাধিক

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া (বাশডর) গ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরধরে সোমবার (০২রা মার্চ) সকালে এক ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী স্থায়ী সংঘর্ষে নারী, শিশুসহ উভয় পক্ষের অন্তত শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ৩৮ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের দেবপাড়া (বাশডর) গ্রামের একই গোষ্ঠির আব্দুল মন্নাফ এবং মাসুক মিয়ার মধ্যে ইসমত আলীর বাড়ীর রাস্তাকে কেন্দ্র করে মাস দু’য়েক ধরে বিরোধ চলে আসছিল। উক্ত বিরোধের জেরধরে রবিবার রাতে আব্দুল মন্নাফ পক্ষের লোকজন মাসুক মিয়া পক্ষের এক যুবককে মারধোর করে। কিছুক্ষন পরই মাসুক মিয়ার লোকজন মন্নাফ মিয়ার অপর এক যুবককে মারপিট করে। রাতে চরম উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে উভয় পক্ষের লোকজনকে সকাল ১০ টায় থানা আসতে বলেন।সোমবার সকাল ৮টার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন হাকডাক দিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শত শত লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দু’ঘন্টা ব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের শতাধিক লোকজন আ

নবীগঞ্জে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নারী শিশুসহ আহত শতাধিক

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া (বাশডর) গ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরধরে সোমবার (০২রা মার্চ) সকালে এক ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী স্থায়ী সংঘর্ষে নারী, শিশুসহ উভয় পক্ষের অন্তত শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ৩৮ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের দেবপাড়া (বাশডর) গ্রামের একই গোষ্ঠির আব্দুল মন্নাফ এবং মাসুক মিয়ার মধ্যে ইসমত আলীর বাড়ীর রাস্তাকে কেন্দ্র করে মাস দু’য়েক ধরে বিরোধ চলে আসছিল। উক্ত বিরোধের জেরধরে রবিবার রাতে আব্দুল মন্নাফ পক্ষের লোকজন মাসুক মিয়া পক্ষের এক যুবককে মারধোর করে। কিছুক্ষন পরই মাসুক মিয়ার লোকজন মন্নাফ মিয়ার অপর এক যুবককে মারপিট করে। রাতে চরম উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে উভয় পক্ষের লোকজনকে সকাল ১০ টায় থানা আসতে বলেন।সোমবার সকাল ৮টার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন হাকডাক দিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শত শত লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দু’ঘন্টা ব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের শতাধিক লোকজন আহত হয়। আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত একরাম মিয়া(৩০), কাচা মিয়া(৪৫), কামরান মিয়া(২৫), জুনেদ মিয়া(৪০, আকামত মিয়া(৪৫, আ: সালাম(৫৫), কানিজ বেগম(৪৫), শাহজাহান (৪০), আব্দাল মিয়া(৩০), রুবেল মিয়া(২৫), রুমন মিয়া(২২), সাবুল মিয়া(২৪), জামিল মিয়া(২০)সবুজ মিয়া(২২), হাসন মিয়া(৪৫),নরই মিয়া(৫০), বাছিত মিয়া (২৩), আসুক উদ্দিন(৩৫), আলীম উদ্দিন(৩৫, মনির মিয়া(৩৫), কাইয়ুম উদ্দিন (৩৫), আব্দুল ওয়াহিদ (৫৪), আবুল কালাম (৪৫), সাফাল মিয়া (৩১), শওকত আলী (৫০), লোকমান (২৪), কাজল উদ্দিন (৪২), রাবেয়া বেগম (২৫), মুকিদ আলী (৩৬), লাভলী বেগম (৩৫), রাহিমা বেগম (৩২)সহ ৩৮ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।

বর্তমানে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, তুচ্ছ ঘটনা হলেও পূর্বের শক্রতার কারণেই সংঘর্ষ এত বড় আকার ধারণ করেছে। ওসি মোনায়েম মিয়া জানিয়েছে, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow