নব্য জেএমবির দুই সদস্য ৪ দিনের রিমান্ডে

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির আরও দুই সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তারা হলেন মো. বেলায়েত হোসেন ও তোফায়েল হোসেন। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম পুলিশের আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে, একই মামলায় গ্রেফতার হওয়া আহসান জহীর খান নামের আরেক আসামিরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছিল। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শেরেবাংলা নগর থানার মামলায় দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে তদন্ত কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের পরিদর্শক এস এম মিজানুর রহমান রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করেন, আগেই গ্রেফতার হওয়া আহসান জহীর খানের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে বেলায়েত ও তোফায়েলকে শনাক্ত করা হয়। সংগঠনের কার্যক্রম, সদস্যদের যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য নাশকতার পরিকল্পনা সম্পর্ক

নব্য জেএমবির দুই সদস্য ৪ দিনের রিমান্ডে

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির আরও দুই সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তারা হলেন মো. বেলায়েত হোসেন ও তোফায়েল হোসেন।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম পুলিশের আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে, একই মামলায় গ্রেফতার হওয়া আহসান জহীর খান নামের আরেক আসামিরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছিল।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শেরেবাংলা নগর থানার মামলায় দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে তদন্ত কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের পরিদর্শক এস এম মিজানুর রহমান রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করেন, আগেই গ্রেফতার হওয়া আহসান জহীর খানের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে বেলায়েত ও তোফায়েলকে শনাক্ত করা হয়। সংগঠনের কার্যক্রম, সদস্যদের যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য নাশকতার পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তাদের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

পুলিশ জানায়, সোমবার দিবাগত রাতে সাভার এলাকা থেকে বেলায়েত হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন মঙ্গলবার কেরানীগঞ্জ মডেল থানা এলাকা থেকে তোফায়েল হোসেনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা মামলার ঘটনায় নিজেদের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ দাবি করেছে।

তদন্তে আরও জানা গেছে, বেলায়েত হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে উগ্রবাদী কার্যক্রমের আলামত পাওয়া গেছে। পুলিশ বলছে, দুই আসামিই নব্য জেএমবির আদর্শে প্রভাবিত হয়ে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

এর আগে, ১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগরের চন্দ্রিমা উদ্যান এলাকায় কয়েকজন উগ্রবাদী গোপন বৈঠকে মিলিত হলে পুলিশ অভিযান চালায়। পুলিশ উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় আহসান জহীর খানকে আটক করা হয়, তবে অন্যরা কৌশলে সরে যায়।

এ ঘটনায় সিটিটিসির উপ-পরিদর্শক মো. আরমান হোসেন বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্তরা হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে যোগাযোগ রেখে রাষ্ট্রবিরোধী নাশকতার পরিকল্পনা করছিল।

এমডিএএ/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow