নাইজেরিয়ায় সংঘর্ষে ২১ গ্রামবাসী নিহত

নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের জামফারা রাজ্যের গ্রামে ডাকাতদের সঙ্গে সংঘর্ষে ২১ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামবাসীরা ডাকাতদের টাকা দিতে অস্বীকার করলে হামলা চালায় তারা। খবর এএফপির। গ্রামবাসীরা জানায়, শুক্রবার (১০ এপ্রিল) প্রায় ৮০টি মোটরসাইকেলে করে কয়েক ডজন ডাকাত বুক্কুয়ুম জেলার বুঙ্কাসাউ গ্রামে হামলা চালায় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়।  জামফারা রাজ্য পুলিশের মুখপাত্র ইয়াজিদ আবুবকর বলেন, আমরা সহিংসতার বিষয়ে অবগত আছি। তবে বিস্তারিত তথ্যের জন্য আমাদের তদন্ত এখনো চলমান।  তিনজন স্থানীয় বাসিন্দা এএফপিকে জানিয়েছে, এ সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছে।  জেলা সদর বুক্কুয়ুম শহরের নেতা লাওয়ালি উমর বলেন, ‘ডাকাতরা হামলা করে ২১ জনকে হত্যা করেছে। তাদের নিয়মিত চাঁদা দিতে দিতে গ্রামবাসীরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। গ্রামবাসীরা ডাকাতদের চাঁদা না দিয়ে সেই টাকা দিয়ে অস্ত্র কিনে আত্মরক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’  জামফারার পার্শ্ববর্তী ইয়াশি গ্রামের বাসিন্দা বাবুগা আহমেদ বলেন, ডাকাতরা গ্রামবাসীদের সঙ্গে ভয়াবহ বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়। গ্রামবাসীদের গুলি শেষ হয়ে যাওয়ার পর তারা পুরোদমে গুলি চা

নাইজেরিয়ায় সংঘর্ষে ২১ গ্রামবাসী নিহত

নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের জামফারা রাজ্যের গ্রামে ডাকাতদের সঙ্গে সংঘর্ষে ২১ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামবাসীরা ডাকাতদের টাকা দিতে অস্বীকার করলে হামলা চালায় তারা। খবর এএফপির।

গ্রামবাসীরা জানায়, শুক্রবার (১০ এপ্রিল) প্রায় ৮০টি মোটরসাইকেলে করে কয়েক ডজন ডাকাত বুক্কুয়ুম জেলার বুঙ্কাসাউ গ্রামে হামলা চালায় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়। 

জামফারা রাজ্য পুলিশের মুখপাত্র ইয়াজিদ আবুবকর বলেন, আমরা সহিংসতার বিষয়ে অবগত আছি। তবে বিস্তারিত তথ্যের জন্য আমাদের তদন্ত এখনো চলমান। 

তিনজন স্থানীয় বাসিন্দা এএফপিকে জানিয়েছে, এ সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছে। 

জেলা সদর বুক্কুয়ুম শহরের নেতা লাওয়ালি উমর বলেন, ‘ডাকাতরা হামলা করে ২১ জনকে হত্যা করেছে। তাদের নিয়মিত চাঁদা দিতে দিতে গ্রামবাসীরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। গ্রামবাসীরা ডাকাতদের চাঁদা না দিয়ে সেই টাকা দিয়ে অস্ত্র কিনে আত্মরক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ 

জামফারার পার্শ্ববর্তী ইয়াশি গ্রামের বাসিন্দা বাবুগা আহমেদ বলেন, ডাকাতরা গ্রামবাসীদের সঙ্গে ভয়াবহ বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়। গ্রামবাসীদের গুলি শেষ হয়ে যাওয়ার পর তারা পুরোদমে গুলি চালানো শুরু করে। 

জামফারা গ্রামে এর আগেও স্থানীয় দস্যুরা হামলা, লুটপাট ও অপহরণ চালিয়েছে। সম্প্রতি তারা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সাথে যোগসূত্র স্থাপন করেছে।

নাইজেরিয়ার সরকার ২০১৫ সাল থেকে ডাকাতদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য জামফারাতে সৈন্য মোতায়েন করেছে। কিন্তু এতে সহিংসতার মাত্রা খুব একটা কমেনি। রাজ্য কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকবার দস্যুদের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করেছে। অস্ত্র সমর্পণের বিনিময়ে সাধারণ ক্ষমার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে তাদের। তারপরও ডাকাতদলগুলো সহিংসতায় লিপ্ত রয়েছে।    

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow